ভান্ডায়িায় যুবলীগের সাইনবোর্ড টানিয়ে কাঠ মিস্ত্রির জমি দখল
জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার চরখালীতে যুদ্ধাপরাধী মামলার একাধিক আসামীর নিকটাত্মীয় সাখাওয়াত হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতা তার সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে দলীয় সাইনবোর্ড টানিয়ে এক কাঠ মিস্ত্রির দোকানঘরসহ সম্পত্তি দখল করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিবাদমান ঐ জমি নিয়ে মামলায় হেরে যারার পরও উক্ত যুবলীগ নেতার হামলা ও মামলার ভয়ে জমির মালিক ইস্কান্দার পরিবার পরিজন নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মঙ্গলবার দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে উপজেলার চরখালী বাসিন্দা মৃত সৈয়দ আলী মীরের ছেলে ইস্কান্দার আলী জানান, তিনি ২০০৮ সালের ১৪ অক্টোবর মাসে স্থানীয় মৃত মোতাহার আলীর ছেলে ওয়াজেদ আলীসহ ওয়ারিশদের কাছ থেকে ৭নং চরখালী মৌজার এস.এ. ৫৫০ খতিয়ানে ৩০৭নং দাগের ১১ শতাংশ (বি.এস. খতিয়ান নং-৪৭,দাগ নং- ৩৫৩) জমি ক্রয় করেন। পরে ইস্কান্দার জমির দখল না পেয়ে গত ২০১৩ সালের ১৯ জুন আদালতে দেওয়ানী ৭৬/১১নং মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত তার পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু বিবাদী সাখাওয়াত ঐ রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করে হেরে যান। পরে সাখাওয়াত গং দেং ৮০/১৭ মোকদ্দমা করলেও ভূক্তভোগী ইস্কান্দারের পক্ষেই রায় হয়। এতকিছুর পরও নদমূলা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি সাখাওয়াত তার দলবল নিয়ে ইস্কান্দার মীরের জমিতে থাকা কাঠের ফার্নিচারের ঘরে যুবলীগের সাইনবোর্ড টানিয়ে দখল করে নেন। ভূক্তভোগী ইস্কান্দার মীর আরও অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষের দাপুটে কর্মকান্ডের ভয়ে স্থানীয় এবং প্রশাসনের কাছ থেকে কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁচতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের কাছে আইনী সহায়তা কামনা করেছেন।
ইস্কান্দার মীরের অভিযোগ সম্পর্কে তার প্রতিপক্ষ সাখাওয়াত হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, যুবলীগের দলীয় সাইনবোর্ড টানিয়ে তিনি কোন সম্পত্তি দখল করেন নি। ইস্কান্দার মীর কবলা করা যে সম্পত্তির কথা বলেছেন সেটা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি।
