ভান্ডারিয়ায় চলছে শিল্প ও বাণিজ্য মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি
ভান্ডারিয়া হাসপাতাল মাঠে আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারী থেকে টানা দেড় মাস (৪৫ দিন) চলবে শিল্প ও বাণিজ্য মেলা। আর এই প্রথমবারের মত ভান্ডারিয়ায় শিল্প ও বাণিজ্য মেলার ডামাঢোল বাজায় ভান্ডারিয়াসহ পার্শবর্তী উপজেলাগুলোর মানুষের মধ্যেও এক ধরনের উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা গেছে। কারণ ঢাকার বাইরে গ্রামীণ জনপদে এই প্রথম শিল্প ও বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে। স্থান পাবে সাতক্ষিরা, খুলনা, বরিশাল, ঝালকাঠি ছাড়াও পিরোজপুর, ভান্ডারিয়াসহ উপকূলীয় দক্ষিণ জনপদের ক্ষুদ্র শিল্পীদের শিল্প শৈলী। মেলা প্রাঙ্গন ঘুরে দেখা গেছে গত ১০/১২দিন ধরে ৩০/৩৫জন মানুষ মেলা প্রাঙ্গনে স্টল তৈরির কাজ করছে। মেলা প্রাঙ্গনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৭০ ফুট সুউচ্চ ওয়াচ লাইট ছাড়াও ভিতরে ৩৫ ফিট লম্বা প্রতি পোস্টে ৪টি করে লাইটসহ মোট প্রায় ৩৫টি লাইট পোস্ট এবং বাইরে চারদিকে এ লাইট পোস্ট থাকছে। স্টল গুলোর সাময়িক ভাড়া হিসেবে মূল গেট লাগোয়া দক্ষিণ ও উত্তর পার্শের দুটির ভাড়া ১ লাখ টাকা করে এবং বাকী গুলো ৩০ থেকে ৪০/৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
মেলায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ডিজিটাল পানির ফোয়ারা, প্রতিদিন র্যাফেল ড্রসহ নানা মনোমুগ্ধকর আয়োজন। মেলায় ছোট বড় মোট ১১২টি স্টল থাকবে। ভাষার মাসে বিভিন্ন লেখকের বই, খেলনা, নান্দনিক সব পোশাকের স্টল ছাড়াও থাকছে আর এফ এল, ওয়ালটন, ভিশন ও হাইজি মোটর সাইকেলের শোরুম।
মেলার পরিচালক খুলনার চামেলি ট্রেডার্সের সত্বাধীকারি মো. রাসেল মিয়া জানান, অতীতে এই সিজনে যাত্রা, সার্কাসসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠান থাকত। যা মানুষের মাঝে আনন্দ যোগাত। সময়ের বিবর্তনে তা হারিয়ে যাওয়ায় বা ওই সময়কার মত আয়োজক না থাকায় এখন এ প্রজন্মের ধ্যান ধারনা ও চিন্তা থেকে ঐতিহ্যবাহী এই ভান্ডারিয়ায় প্রথম তারা এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরো জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে সরকারি সব ধরনের প্রসেস ম্যান্টেন করে স্থানীয় সাংসদ ও জন প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে তারা কাজ করবে। স্থানীয় বিভিন্ন শেণী পেশার সচেতন মহল যেটা ভাবছে যে, এই মেলায় যে পরিমান খরচ হবে তা পোশাতে স্টলের বিক্রিতে সংকুলন না হলে তারা কি অন্য কোন পন্থায় খরচ উঠানোর চেষ্টা বা চিন্তা আছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে রাসেল মিয়া বলেন, মেলায় শুধু র্যফেল ড্র ছাড়া হাউজি বা কোন জুয়া চলবেনা। আর ভান্ডারিয়ার গণমানুষের নেতা বর্ষীয়াণ রাজনীতিবিদ এবং ৩২ বছর দীর্ঘ সময় ধরে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। তাঁর এলাকার সুনাম ক্ষুন্ন হোক সে ধরনের কোন কাজ এখানে হবেনা। তিনি আরো বলেন আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারী পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এ মেলার আনুষ্ঠিত উদ্ধোধন করবেন।
