ভান্ডারিয়ায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে গৃহ নির্মানের অভিযোগ
ভান্ডারিয়া উপজেলার নয়াখালী গ্রামের ফজলুল হক হাওলাদারের ছেলে ছাইদুল হক হাওলাদারের জমিতে আপন চাচাতো ভাই জামাল হাওলাদারগং অবৈধ ভাবে জমি দখল করে গৃহ নির্মানের কাজ শুরু করে। তাতে বাঁধা প্রদান করে ছাইদুল হক। বাঁধা না মানলে গত ৯ অক্টোবর পিরোজপুর জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে সুষ্ঠ ও রিপেক্ষ তদন্তপূর্বক ন্যায় বিচারের জন্য একটি মামলা দায়ের করেন।
ওই আদালতের হাকিম মামলাটি আমলে নিয়ে বিতর্কিত জমিতে ১৪৪/৪৫ ধারা মোতাবেক ভান্ডারিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমিকে সুষ্ঠ তদন্তের এবং মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে শান্তি সৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ভান্ডারিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এদিকে জামালগং সে আইনকে অমান্য করে বিতর্কিত জমিতে গৃহ নির্মান কাজ বন্ধ না করায় ভান্ডারিয়া থানা পুলিশ কর্মরত তিন শ্রমিককে আটক করে নিয়ে আসে। পরে জামালগং মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখবে বলে থানায় লিখিত ভাবে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। কিন্তু জামালগং কয়েকদিন কাজ বন্ধ রাখার পর মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার পূর্বেই পুনরায় সেই জমিতে গৃহ নির্মান অব্যাহত রেখেছে। যা প্রকারান্তরে আদালত অবমামনার সামিল। অন্যদিকে একই জমির অন্য শরিকদার মোঃ সহিদুল ইসলাম ছাইদুলের বিবাদী জামালের আপন নানা মুনছুর আলী নকীব এর বিরুদ্ধে পিরোজপুর সহকারী জজ আদালতে জাল দলিলের বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। যার মামলানং ১৫৩/১১,তাং ২৪/১০/২০১১ইং। যা চলমান।
এব্যাপারে বিবাদী জামাল হাওলাদারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে জামালের স্ত্রী জানান, আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতে গৃহ নির্মান করি।
এদিকে ছাইদুল ও সহিদুলের মামলার বিবাদীগণ এ দুই মামলার বাদিকে মামলা তুলে নেয়া সহ জীবন নাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ করেন সহিদুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গতকাল সোমবার ভান্ডারিয়া থানার ওসি মোঃ কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, ১৪৪/৪৫ ধারা শান্তি সৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য। বাদিগণকে আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সাইফুদ্দিন গিয়াস জানান, তদন্তের জন্য আগামী ১৫ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত বিতর্কিত জমিতে কোন প্রকার কাজ করা ঠিক নয়।
