ভাণ্ডারিয়ায় শিশু শিক্ষার্থীকে হাতুড়ি পেটা করে আহত
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার উত্তর তেলিখালি গ্রামে তাইমিয়া বীন আনোয়ার খান (১১) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীকে হাতুড়ি পেটা করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুটি ভাণ্ডারিয়া হাসপাতালে গত ৫ দিন ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাতরাচ্ছে।
শিশুটির বাবা মো. আনোয়ার খান বলেন, আমার বাড়ী উপজেলার উত্তর তেলিখালী গ্রামে। আমি চাকুরীর সুবাদে বাড়ি থাকিনা। আমার স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে একা বাড়ী থাকে। কিন্তু একই গ্রামের আমির গাজীর ছেলে জসিম গাজী ও ছগীর গাজী জমিজমা ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রায় রাতে আমার স্ত্রী সন্তানকে ভয় ভীতি দেখায়। আমি তার প্রতিবাদ কারায় গত ৬ অক্টোবর দুপুরে আমার ছোট ছেলে তাইমিয়াকে একা পেয়ে উক্ত জসিম গাজী ও ছগীর গাজী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। চিৎকার শুনে আমি দৌঁড়ে গিয়ে দেখি আমার ছেলে তাইমিয়া অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পরে আছে এবং আমি ছগীর গাজির কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাকে উল্টো মারধর করে। পরে আহত সন্তান ও স্থানীয় লোকজন নিয়ে আমি তেলিখালি ইউনিয়ন পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে গেলে সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য ভাণ্ডারিয়া উপজেলা হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে ৫ দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছে আমার ছেলে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎক ডা. আলী আজিম পরামর্শ দিয়েছেন।
মো. আনোয়ার খান আরো বলেন, উক্ত বখাটে ছগীর গাজী আমার প্রতিবন্ধি ভাগনী সোনিয়াকে বিয়ে করার জন্য উত্তক্ত করছে। তাকে বিয়ে করতে না পারায় আমাকে ও আমার পরিবারকে বাড়ি ছাড়ার জন্য ভয়ভীতি ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। শিশু পেটানোসহ এসব অভিযোগে ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলার প্রস্ততি চলছে।
