ভান্ডারিয়ার লাবন্য ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিকের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় লাবন্য ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পিরোজপুরের সিভিল সার্জনকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে।
গত ১৭ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
গিয়াস উদ্দিন লিটন পেসকার নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরাবর ভান্ডারিয়ার লাবণ্য ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়। তারই সুত্র ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করে অফিস আদেশ জারি করে।
সুত্র অনুযায়ী জানা গেছে, ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংলগ্ন একটি ভবনে লাবন্য ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম ও লাবন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম বর্হিভূতভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, কোন বেসরকারি ক্লিনিক, নার্সিং হোম কিংবা ডায়গনস্টিক সেন্টার সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের ভিতরে স্থাপন করতে পারবে না। বিশেষ ক্ষেত্রে আধা কিলোমিটারের নিয়ম থাকলেও লাবন্য ক্লিনিক কাম ডায়গনস্টিক সেন্টারটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেয়াল ঘেষা।
অভিযোগকারী সুত্রে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালের কোন চিকিৎসক রোগীদের পরীক্ষার কথা বললেই তাদেরকে পাঠিয়ে দেয় লাবন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। আর কোন অপারেশনের বিষয় থাকলেও তাদেরকে পাঠানো হয় ওই ভবনের লাবন্য ক্লিনিক এন্ড নাসিং হোমে। হাসপাতালে ভীড় না থাকলেও, বেসরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র দুটিতে সারাক্ষণই রোগীদের ভীড় লেগে থাকে। এছাড়া গত বছরের জুন মাসে শেষ হয়েছে এর লাইসেন্সের মেয়াদ। লিখিত অভিযোগে লাবন্য ক্লিনিকের বিরুদ্ধে নানা অপচিকিৎসা, কোন অনুমোদন না থাকা, নীতিমালা অমান্য করাসহ নানা অভিযোগ তোলা হয়।
