ভান্ডারিয়ার পূজামন্ডপে চলছে শেষ মুহুর্তের রং এর কাজ
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নে আগামী ১৪ অক্টোবর রবিবার সকালে অসুর বিনাসীণি দেবী দূর্গার পঞ্চমী বিহিত পূজা ও সায়ংকালে দেবীর বোধন পূজার মধ্য দিয়ে ৫ দিনব্যাপী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বছরের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পূজা শুরু হবে। আর এ উপলক্ষে পৌরসভা সহ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে মোট ৪১টি মন্দিরে চলছে দেবীর প্রতিকী প্রতিমায় মৃৎ শিল্পীদের রং এর শেষ মুহুর্তের কাজ। এসব মন্দিরে নির্ঘুম রাত কাটিয়ে শিল্পীরা মন্দিরে তাদের মনের মাধুরী মিশিয়ে দেবী দূর্গা প্রতিমাকে নান্দনিক করতে কাজ করছে। ভক্তদের দৃষ্টি নন্দিত করতে চলছে পূজা মন্দিরগুলোতে নানা ধরনের আলোকসজ্জাসহ নানা ধরনের আয়োজন।
শুক্রবার সরেজমিনে উপজেলা কেন্দ্রীয় মদন মোহন জিউর মন্দিরে গিয়ে সাতক্ষিরা থেকে আসা মৃৎ শিল্পী সমীর পালের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, এবছর তিনি ছোট, বড়, মাঝারী মিলিয়ে প্রায় ১২টি মন্দিরের প্রতিমা তৈরি করছেন। গত ১ মাস ধরে ৮ জনের একটি দল এ কাজ করছেন। তার মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই মদন মোহন জিউর মন্দিরের প্রতিমা। এর পারিশ্রমিক পাবেন প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকা।
এদিকে, প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও জাতীয়পার্টি জেপির চেয়ারম্যান এবং পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও ইন্দুরকানি উপজেলার সব মন্দিরে অনুদান দেবেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি কিরন চন্দ্র বসু।
উপজেলা গূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার দাস জানান, উপজেলায় ৪১টি মন্দিরে পূজা হলেও এটি কেন্দ্রীয় মন্দির। তাই এখানে দূর দূরান্ত থেকে বহু দর্শনার্থী ও ভক্তরা আসে। সেজন্য এটি নান্দনিক করতে এবছর সাতক্ষিরা থেকে ডেকরেশনের লোক এবং বিভিন্ন সড়কে আলোক সজ্জার জন্য ঝালকাঠী থেকে লোক আনা হয়েছে। লাইটিংএ খরচ পরবে প্রায় দেড় লাখের মত।
ভান্ডারিয়ার ইউএনও শাহীন আক্তার সুমী জানান, শারদীয় দূর্গা পূজা উদযাপনের জন্য বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা হিন্দু নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় কালে পূজা চলাকালীন সময়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়ার বিষয় বলেছি।
