নেতা-কর্মীদের আচরণগত ত্রুটির কারণে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে দেয়া হবে না : এডভোকেট আফজাল হোসেন
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন বলেছেন, দলের নেতা-কর্মীদের কারও কারও আচরণগত ত্রুটির কারণে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে দেয়া হবে না। শেখ হাসিনার উন্নয়নকে ম্লান করতে দেয়া যাবে না। তাই দলের মধ্যেও শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, ঐক্যের রাজনীতির মধ্য দিয়ে দলকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ, সন্ত্রাসকে চিরতরে নিমূল করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে বঙ্গবন্ধু’র সোনার বাংলা গড়তে হবে। বিশ্বের উন্নয়নের দৌড়ে আমাদের স্থান করে নিতে হবে।
তিনি বলেন, ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর, দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে তথা সারা দেশে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে যে উন্নয়ন হয়েছে বিগত অন্য কোন সরকারের সময়ে এতো উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে আমরা সবাই সেই উন্নয়নের সুফল ভোগ করছি। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার শত্রুরা, স্বাধীনতার ঘাতকরা- যারা বিগত দিনে দেশে জঙ্গীবাদের আশ্রয় দিয়েছে, মৌলবাদের আশ্রয় দিয়েছে, খুন-সন্ত্রাস করেছে, দেশটাকে পিছিয়ে দিয়েছে তারা এখনও আওয়ামী লীগের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চাচ্ছে।
আজ রবিবার পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভান্ডারিয়া বিহারীলাল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক এমপি একেএমএ আউয়াল।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফাইজুর রশিদ খসরু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এম এ হাকিম হাওলাদার, সহ-সভাপতি শাহজাহান খান তালুকদার, পিরোজপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন মহারাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খালেক, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফিরোজ আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি লিয়াকত হোসেন তালুকদার, জাতীয় পার্টি (জেপি) উপজেলা সদস্য সচিব ও ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান টুলু, ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর (উত্তর) সভাপতি মো ইব্রাহিম।
সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম মিরাজ।
সম্মেলনে আগের কমিটির সভাপতি ফাইজুর রশিদ খসরু এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম মিরাজকে পুনরায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পরবর্তীতে পুনাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করবেন।
এদিকে, সম্মেলনকে আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করতে বিশালাকৃতির নৌকার উপর তৈরি করা হয় অতিথিদের মঞ্চ। সম্মেলন প্রাঙ্গনে পদ্মা সেতুর আদলে ৩০০ ফুট সেতুর অবকাঠামো নির্মান করা হয়। কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়ে উপজেলার সড়কে সড়কে নির্মান করা হয় শতাধিক তোরণ। লাগানো হয় নানা আকারের ব্যানার ও ফেষ্টুন।
