ভান্ডারিয়ায় খাদ্য পরিদর্শককে সরকারি কাজে বাঁধা
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় উপজেলা সেনিটারী ইনেসপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শককে সরকারি কাজে বাঁধা দেয়ার অপরাধে আত্মপক্ষ সমর্থন করে প্রথমবারের মত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এক ব্যবসায়ী।
জানা গেছে, মো. আ. হালিম গত ২৭ নভেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. এমাদুল ইসলাম কামরান মাঝি নামের এক খাদ্য ব্যবসায়ীর দোকানে পরিদর্শনে গেলে সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা খাদ্য, মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় খাদ্য দ্রব্য পাওয়ার বিষয় জানতে চাইলে ওই ব্যবসায়ী মোবাইল ফোনে কিছু কিছু ভাড়াটে লোক এনে খাদ্য পরিদর্শককে বিভিন্ন প্রকারের হুমকি প্রদর্শন করার এক পর্যায়ে খাদ্য পরিদর্শক ওই স্থান ত্যাগ করেন।
পরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য আইনে উক্ত ব্যববসায়ীকে লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন খাদ্য পরিদর্শক। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন পিরোজপুর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভান্ডারিয়া, ওসি ভান্ডারিয়া এবং সহকারী পরিচালক জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরকে অনুলিপি প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী তার লিখিত জবাবে উল্লেখিত সকল অপরাধ স্বীকার করে প্রথমবারের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আ. হালিম শনিবার বিকেলে মুঠো ফোনে জানান, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী তার লিখিত জবাব দাখিল করেছেন এবং তাকে প্রাথমিক ভাবে ক্ষমা করার জন্য উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান মৃধা ও উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম সুপারিশ করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় নি।
