ভান্ডারিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগে দুর্নীতি
জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। উপজেলার ৪০নং দক্ষিন-পশ্চিম আতরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরী পদের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেও নিয়োগ পাচ্ছেন না প্রার্থী মো. মিরাজ হোসেন। মিরাজ সাংবাদিকদের জানান, নিয়োগ কর্তৃপক্ষকে তিনি তিন লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার চুক্তিতে রাজী হন এবং প্রথম অবস্থায় এক লাখ টাকা প্রদান করেন, বাকী দুই লাখ টাকা পরে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ওই দুই লাখ টাকা বিলম্বে দেয়ার কারণে প্রথম স্থান অধিকারী মিরাজকে আর নিয়োগ দেয়া হয়নি। প্রার্থী মিরাজ এ ব্যাপারে পিরোজপুর প্রথম যুগ্ম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে, আদালতে মামলা দায়েরের পর ওই পদে পুনরায় নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগের পাঁয়তারা চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমন অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী মিরাজ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার ভান্ডারিয়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরী নিয়োগের নিয়োগ পরীক্ষার সাথে আতরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষাও নেয়া হয়েছে।
চাকুরী না পেয়ে মামলায় মিরাজ লিখিত অভিযোগে জানান, ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে সে প্রথম স্থান অধিকার করে। যা ঐ সময়ে স্কুলের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দেয়া হয়। পরে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবী করেন বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম। দাবীকৃত টাকা না দিতে পারায় কর্তৃপক্ষ ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে পুনরায় ওই পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেন যা, সরকারি নিয়মনীতি পরিপন্থী।
ভান্ডারিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নতুন নিয়োগ পরীক্ষার বিষয় তিনি কিছুই জানেনা।
