প্রধান সূচি

ভান্ডারিয়ায় বিএনপি অফিস ভাংচুর

১০ বছর পর মামলা : আসামী সাবেক যুবদল নেতাসহ ব্যবসায়ীও

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় বিএনপি অফিস ভাংচুরের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৩৪ জনকে চিহ্নিত এবং ৮/৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়। গত ২২ আগষ্ট পৌর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক মো. মিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ভান্ডারিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলায় আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জাতীয় পার্টি (জেপি) এবং যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ককে আসামী করা হয়েছে। আসামী করা হয়েছে ঢাকায় বসবাসকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ীকেও।
মামলায় প্রধান আসামী করা হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সাবেক পৌর মেয়র ফায়জুর রশিদ খসরু জোমাদ্দারকে এবং দ্বিতীয় আসামী করা হয়েছে উপজেলা জাতীয় পার্টি (জেপি)’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল তালুকদারকে, ৩ নম্বর আসামী করা হয়েছে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি টিপু তালুকদারকে। বাদ যায়নি জাতীয় যুবসংহতি ও জাতীয় ছাত্র সমাজ নেতা কর্মীও। উপজেলা যুব সংহতি (জেপি) সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন সরদারকে ৬ নম্বর আসামী করা হয়েছে।
জাতীয়তাবাদী যুবদলের ভান্ডারিয়া উপজেলার সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. সামজিদ মিয়াকেও আসামী করা হয়েছে বিএনপি অফিস ভাংচুরের মামলায়। এছাড়া মামলায় আসামী হিসেবে আছেন ঢাকায় বসবাসকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জিয়া হায়দার মিঠু।
মামলার আসামী করার বিষয়ে উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. সামজিদ মিয়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘মা’ সম্মোধন করে বলেন, আমি প্রথমে ছাত্রদল করেছি। পরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছি। আমার অফিস আমি কি করে ভাঙবো।
মামলার ১১ নম্বর আসামী মো. রাজিব আকন বলেন, ২০১৪ সালে আমি স্কুল ছাত্র ছিলাম। স্থানীয় এক বিএনপি নেতার সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে তাকে এবং জিয়া হায়দার মিঠু ভাইকে আসামী করা হয়েছে। জিয়া হায়দার মিঠু ভাই একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের মানুষ। তিনি দুই যুগের বেশী সময় ধরে রাজধানীতে ব্যবসা করে আসছেন। তিনি কোন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তিনি ঢাকায় থাকেন, বিএনপি অফিস ভাঙ্গার তো প্রশ্নই আসেনা।
উপজেলা জাতীয় পার্টি জেপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল তালুকদার বলেন, বিএনপিও এখন আওয়ামী লীগের এর মত কাজ করা শুরু করেছে। পূর্বে যারা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীর নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এ মামলাটি সে রকরম একটি মামলা। কোন অদৃশ্য ছায়ায় এসব মামলা হচ্ছে, তা অবশ্যই এক সময় প্রকাশ পাবে।
মামলার বাদী মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, বিএনপি অফিস ভাংচুরের সময়ে থানার তৎকালীন ওসি মামলা নেয়নি, তাই এতদিন পর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুলবসত: কারও নাম মামলায় অর্ন্তভুক্ত হলে পরবর্তীতে সেটা বাদ দেয়া হবে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial