ভান্ডারিয়ায় একই পরিবারের ৫ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে
ভান্ডারিয়া উপজেলা সদরে একই পরিবারে ৫ জনের করোনা সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে এবং রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
গত ৮ই মার্চ সারা দেশে নোভেল করোনা ভাইরাস সংক্রামন (কভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিজ বাড়িতে আসা মানুষদের মধ্যে ২৫০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তারমধ্যে ১২ জনের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। করোনা পজেটিভদের মধ্যে থেকে ৪ জন সুস্থ্য হয়েছেন এবং ৮ জন হোমকোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম।
কভিড-১৯ সংক্রামন প্রাদুর্ভাব রোধে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ একযোগে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তবে সব চেয়ে বেশি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ডাক্তার, নার্স এবং ম্যাডিকেল টিমের সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাত দিন দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম জানান, কভিট-১৯ শুরু হওয়ার পর থেকে এ বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ খবর রাখছেন পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া-কাউখালী-ইন্দুরকানী) আসনের এমপি, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয়পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। ভান্ডারিয়ার মানুষ সচেতন থাকায় কভিড-১৯ সংক্রামনের প্রভাব স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি আরো জানান, ভান্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম মিরাজ কভিড-১৯ মোকাবিলায় হাসপাতালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক নানা সামগ্রী ছাড়াও উপজেলার প্রান্তিক পর্যায়ে পর্যন্ত স্বাস্থ্য সুরক্ষা, খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত মিরাজুল ইসলাম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উপজেলার ৮টি স্থানে জীবানু নাশক স্প্রে, বড় পর্দায় জনসচেতনতামূলক প্রচারণায় কার্যক্রম চালাচ্ছেন।
