প্রধান সূচি

ভান্ডারিয়ায় লাবন্য ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোমে অনিয়মের অভিযোগ

জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলায় সরকারি হাসপাতাল সংলগ্ন লাবন্য ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,  লাবন্য ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম এ শুধুমাত্র লাইসেন্স আছে, কিন্তু তারা মানছে না সরকারি নীতিমালা। ১০ শয্যা বিশিষ্ট লাইসেন্সে উল্লেখ থাকলেও কেবিনসহ ২০/২৫ এর বেশি রয়েছে শয্যা। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিনিয়ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য একজন এমবিবিএস প্রযোজ্য কিন্তু সেখানে অপ্রশিক্ষিত নার্সদের দিয়ে চালানো হয় লাবন্য ক্লিনিক ও ডায়গনষ্টিক সেন্টার। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২০০ গজের ভিতরে বেসরকারি কোন ক্লিনিক থাকতে পারবে না। কিন্তু হাসপাতালের কাছে অবস্থিত লাবন্য ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম। ভান্ডারিয়া থেকে শুরু প্রতি রাস্তার মোড়ে, আনাচে কানাচে দেখা যায় লাবন্য ক্লিনিকের নামদারী সাইনবোর্ড। সাইনবোর্ডের আড়ালে যতসব অনিয়ম চালাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। সরকারি নিয়ম নীতি না মেনে শুধুমাত্র লাইসেন্স দিয়েই রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছেন তারা।

এ বিষয়ে লাইসেন্সের মালিক ওমর ফারুক এর মুঠোফোন (০১৭১০-৯৩৬৪৩৬) একাধিকবার ফোন দিলে মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহের জন্য মুঠোফোনে (০১৭১২-১৮৮৩৩৯) ম্যানেজার মো. ফিরোজ রহমান এর কাছে ক্লিনিকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ক্লিনিকের লাইসেন্স মো. ওমর ফারুকের নামে ও ডায়গনষ্টিক লাইসেন্স সাবেক ভান্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জ্বল তালুকদারের নামে। আমাদের এখানে ১০ শয্যা বিশিষ্ট ক্লিনিক। আমাদের সেবা নরমাল ডেলিভারী, সিজার ও এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন করানো হয় যাহার মূল্য আমরা নিচ্ছি নরমাল ডেলিভারী ১০০০/১২০০ টাকা, সিজার ৮০০০/৯০০০ টাকা এবং এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন শুধুমাত্র ৩০০০ টাকা। প্রতিনিয়ত ৪ জন নার্স সেবা দিয়ে থাকেন ও একজন মহিলা ডাক্তার নুসরাত জাহান সব সময় কর্মরত থাকেন। জটিল অপারেশন আমরা ভান্ডারিয়ার বর্তমান টি.এস মো. জহিরুল ইসলামকে দিয়ে করিয়ে থাকি।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial