প্রধান সূচি

ভান্ডারিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

ভান্ডারিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। পিরোজপুরসহ উপকলীয় দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সর্ববৃহৎ হাট জেলার ভান্ডারিয়ায়। ভান্ডারিয়ায় সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার এ দুই দিন হাট বসে।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগমে দেখা গেছে, জমে উঠেছে কোরানির পশুর হাট। আর মাত্র কয়েকদিন বাকী আছে ঈদুল আযহা’র। আগামী ২২ আগষ্ট পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আযহা। তাই একটু আগেভাগেই লোকজন তাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে পছন্দের গরু কিনে নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। ক্রেতা মো. স্বপন সিকদারের সাথে আলাপ কালে জানান, সে তার দুই ছেলেকে নিয়ে হাটে এসে ৭০ হাজার টাকায় একটি গরু কিনেছেন। স্থানীয় লিয়াকত মার্কেট থেকে শুরু করে শিয়ালকাঠী স্কুল হয়ে ধাওয়া ফুলতলা পর্যন্ত প্রায় দীর্ঘ দুই কিলোমিটার জুড়ে পোনা নদী সংলগ্ন রাস্তার পাশে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এ হাট বসে।

স্কুলের সামনে পোনা নদী লাগোয়া স্থানে দিন রাত ২৪ ঘন্টা বেপারিরা তাবু টাঙ্গিয়ে শেষ হাট পর্যন্ত গরু বিক্রির জন্য অস্থায়ীভাবে রাত কাটায়। যশোর থেকে মো. খোকন নামের পুরোনো ব্যবসায়ী ১৪টি গরু হাটে নিয়ে এসেছে। তার মধ্য থেকে তিনি দুপুর পর্যন্ত পাঁচটি বিক্রি করেছেন। যশোর থেকে আসতে কোথাও কোন টাকা দিতে হয় নি বলে জানান তিনি। তবে চরখালী ফেরিতে বেশি টাকা নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন খোকন। এদিকে স্থানীয় প্রবীণ গরুর ব্যবসায়ী মো. মামুন জানান, তার ফার্মের ১৯টি গরু হাটে নিয়ে এসেছেন। তার মধ্যে সবচেয়ে বড়টির মুল্য হাকা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এক ক্রেতা ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বলেছে। তবে তিনি সেটি ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা হলে বিক্রি করবেন বলে জানান।

হাটে ভান্ডারিয়া উপজেলা ছাড়াও পার্শবর্তী  উপজেলা রাজাপুর,   কাউখালী, মঠবাড়িয়া, পাথরঘাটা, আমুয়া, কাঠালিয়া এমনকি পিরোজপুর জেলা শহরের লোকজন দেখা গেছে কোরবানির গরু, ছাগল কিনতে। এসময় দূরের ক্রেতাদের সাথে আলাপ কালে মো. মাসুম, রত্তনসহ বেশ কয়েকজন জানান, ভান্ডারিয়ায় সংসদ সদস্য পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বাজারের ইজারার টাকা ব্যক্তিগত ভাবে পরিশোধ করায় পূর্বের গরু প্রতি যে ৩/৪/৫ হাজার আবার বড় গরু হলে ১০ হাজার টাকাও দালালদের দেয়া লাগত। এখন সেটা নেই, শুধু নাম মাত্র ২শ’ টাকা রশিদে কিনতে পারছি। আর সে জন্য তারা মন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানান।

হাটে একটি স্থানে জাল টাকা চেক করা, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে গরুর রোগ নির্ণয়ে ব্যানারসহ ক্যাম্প করা হয়েছে। হাটে পকেটমার রোধসহ সর্বাত্মকভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য থানা পুলিশ, র‌্যাব, সাদা পোষাকে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা টহল দিচ্ছে বলে জানান এস আই কামরুল।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial