প্রধান সূচি

ভান্ডারিয়ার কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

চল্লিশ দিনের হতদরিদ্র কর্মসৃজন প্রকল্পের প্রতি পাঁচ দিন অন্তর শ্রমিকদের মজুরীর টাকা  দেওয়ার কথা থাকলেও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার, ট্যাক অফিসার ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্রকল্প সভাপতির অনিয়মের কারণে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরী থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

উপজেলার দক্ষিণ ভিটাবাড়িয়ার লাল মিয়ার পোল থেকে মালাকার বাড়ী পর্যন্ত ইটসলিং রাস্তার দুপাশে মাটির কাজ চলাকালিন সময় সংবাদকর্মীরা অনুসন্ধান করে দেখেন খাতা কলমে ৪৫ জন রয়েছে তবে মাঠে কাজ করতে দেখা গেছে ৩০ জন।

পূবালী ব্যাংক ভান্ডারিয়া শাখায় এসে কর্মসৃজন প্রকল্পের ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, রাস্তায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত খেয়ে না খেয়ে মাটি কাটার কাজ  করে আমরা মুজুরীর ন্যায্য টাকা পাচ্ছি না। তাদের জবকার্ড ও ব্যাংকের চেক ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের সচিব ও প্রকল্প সিপিসি ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রফুল্লর কাছে আটকা থাকে  বলে অভিযোগ করে শ্রমিকরা আরো বলেন, ব্যাংকের সাথে লিয়াজু করে হতদরিদ্র শ্রমিক ও নাম না জানা অনেক অজ্ঞাত শ্রমিকের নামে টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সচিব ও প্রকল্প সিপিসি ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রফুল্লর বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে পূবালী ব্যাংক ভান্ডারিয়া শাখার কর্মকর্তা তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হতদরিদ্র কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের টাকা উত্তোলন করতে হলে যে কেউ সিল-স্বাক্ষর করে নিয়ে আসলে তারা টাকা  উত্তোলন করতে পারেন।

এ বিষয়ে ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের প্রকল্প সিপিসি ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রফুল্লর বলেন, এসব অনিয়মের কাজ সচিব করেন, আমার কিছু জানা নেই।

ভান্ডারিয়া প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আওলাদ হোসেন অর্থ লোপাট ও অনিয়মের কথা অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্পের কাজ সবকিছু করা হয়েছে নিয়ম মাফিক। শ্রমিকদের মজুরী পরিশোধ করা হবে নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে। এখানে কোন ধরনের অনিয়ম করা হয়নি।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial