পিরোজপুরে আশঙ্কাজনকভাবে চুরির উপদ্রব বেড়েছে
পিরোজপুরে আশঙ্কাজনকভাবে চুরির উপদ্রব বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে পিরোজপুর সদর উপজেলা ও পৌর এলাকায় অন্তত ডজনখানেক বাসাবাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য আসাদ খানের বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। পিরোজপুর-কলাখালী সড়ক পাশে আসাদের বাড়ীর জানালার গ্রীল কেটে চোরের দল বাড়ীতে ঢুকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে। আসাদ মেম্বর ও তার স্ত্রী চিকিৎসার্থে ঢাকায় থাকার সুযোগে এ চুরি সংঘটিত হয় বলে তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
আসাদের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে চৈতি জানান, তিনি ও তার দাদী বাড়ীতে ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে তাদের দালানের জানালার গ্রীল কেটে চোর ঘরের মধ্যে ঢুকে দেশীয় ধারালো অস্ত্রের মুখে ঘরে থাকা দু’জনকে জিম্মি করে আলমিরা, স্টিলের বড় ট্রাংক, ওয়ারড্রব ভেঙে স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে আসাদ মেম্বর জানিয়েছেন তিনি থানায় মামলা দায়ের করবেন।
পিরোজপুর পৌর শহরের আদর্শ পাড়ায় গত ২২ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে অন্তত ৬টি চুরির ঘটনা ঘটে। ওই পাড়ার নিবাসী পিরোজপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ারা বকুল, আদর্শ স্কুলের সাবেক শিক্ষক আ. লতিফ, ব্যবসায়ী আফজাল হুসাইন লাভলু ও জনৈক নয়নের বাড়ীতে রাতের বিভিন্ন সময়ে চুরির ঘটনা ঘটে। এছাড়া শহরের মসিদ বাড়ী এলাকায় দিনে-দুপুরে চুরি সংঘটিত হয়েছে। এসব বাসা-বাড়ি থেকে চোরেরা টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় বলে বাড়ীর মালিকরা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, বিভিন্ন স্থানে চুরির ঘটনা পুলিশের নলেজে আছে। তবে ভুক্তভোগীরা কেউ কোনো মামলা না করলেও পুলিশ ৫/৬ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। তিনি জানান, রাতে পুলিশী টহল বাড়ানো হয়েছে।
