পিরোজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে করে গৃহনির্মানের অভিযোগ
পিরোজপুর সদর উপজেলার শারিকতলা ইউনিয়নের দেওনাখালী গ্রামে আদালতের ও পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিবাদমান জমিতে ঘর তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলাধীন জেএল ৫৫ দেওনাখালী মৌজার ৫৪নং খতিয়ানের ১৭২নং দাগের ১.৮১ একর ভূমির দাবিদার মালিক মো. বাহাদুর শেখ দীর্ঘদিন বাইরে থাকায় বিবাদী মৃত. হাসেম আলী খানের ছেলে আবুল খান, কালু খান ও ফজলুর রহমান উক্ত জায়গার জাল দলিল তৈরি করে ভূমি দখল করে বাড়ি নির্মান করতে গেলে জমির প্রকৃত মালিক দাবিদার বাহাদুর শেখ তাতে বাঁধা দেয়। এ ঘটনার পর চলতি মাসের ৪ তারিখ আবুল খান ইট বালু এনে এবং সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ঘর নির্মান করতে গেলে বাহাদুর তাতে বাঁধা দেয়। এতে আবুল খানের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাহাদুরের লোকজনের উপরে হামলা চালায়। উপায় না পেয়ে বাহাদুর ৫ মে তারিখে আবুল খান, কালু খান ও ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে বাদি হয়ে ফৌঃকাঃবিঃ ১৪৪-১৪৫ ধারায় মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। নির্দেশের প্রেক্ষিতে পিরোজপুর সদর থানার পক্ষে এএসআই নাজির হোসেন স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে উল্লেখিত তফসিল বর্ণিত ভূমির উপর কোন শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গ না হয় এবং উভয় পক্ষের নিজ নিজ কাগজপত্র নিয়ে আগামী ২৩ জুলাই তারিখ আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ প্রদান করেন। নোটিশে আরো বলা হয় কোন পক্ষ শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বাদী বাহাদুর শেখ জানান, আদালতের ও পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কালু খান ঘর তোলার কাজ বিদ্যমান রাখে।
পিরোজপুর সদর থানার তদন্তে দায়িত্বে থাকা এএসআই নাজির হোসেন জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমি কাজ করার নমুনা পেয়েছি। তবে আমি যাওয়ার পরে কাউকেই ঘটনাস্থলে পাওয়া যায় নি।
বিবাদী আবুল খান মোবাইলে জানান, আমি কোনো নোটিশ পাই নি। তিনি বলেন, আমি আমার জায়গায় ঘর তুলছি। নোটিশের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে বলেন, নিউজ ছাপলে তিনিও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নিউজ করবেন।
