পিরোজপুরে ৫৭ হাজার কিশোরীকে এইচপিভি টিকা দেয়া হবে
মেয়েদের জরায়ু ক্যান্সাররোধে আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে পিরোজপুরে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৫৬ হাজার ৭৩৭ জন কিশেরীকে টিকা প্রদান করা হবে। জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৪ উপলক্ষে সোমবার এক প্রেস ব্রিফিং-এ এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমান।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিং-এ সিভিল সার্জন বলেন, আমাদের দেশে প্রতিবছর প্রায় ৮ হাজার নারী জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার কিশোরী মৃত্যুবরণ করে। জরায়ু ক্যান্সারের মূল কারণ হলো ‘এইচপিভি’ নামের একটি ভাইরাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিনামূলে এ দেশের কিশোরীদের এই টিকার আওতায় নিয়ে আসতে চাচ্ছে। তাই পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণীর কিশোরীদের নিজ নিজ স্কুলে এই টিকা দেয়া হবে এবং যারা স্কুলে যাচ্ছে না তাদের বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই টিকা দেয়া হবে।
আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে সারা দেশের ন্যায় পিরোজপুরেও এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি পালন করা হবে। পিরোজপুর জেলার ৭টি উপজেলাতে একই সময় এইচপিভি টিকা প্রদান করা হবে। জেলার ৭টি উপজেলায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৫৪ হাজার ৬২৮ জন কিশোরীকে স্কুলে এবং ২ হাজার ১০৯ জন কিশোরীকে কমিউনিটিতে মোট ৫৬ হাজার ৭৩৭ জন কিশোরীকে এ টিকা প্রদান করা হবে বলে জানান সিভিল সার্জন। ২৪ অক্টোবর থেকে ১০ কর্মদিবসে ৭টি উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে এবং পরবর্তি ৮ কর্মদিবসে বিভিন্ন কমিউনিটিতে সুবিধা বঞ্চিত কিশোরী অথবা যারা স্কুলে টিকা দিতে পারেনি তাদের টিকা প্রদান করা হবে।
প্রেস ব্রিফিং এ উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পিরোজপুরের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডা. সাজিয়া নওশিন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার মো. আরিফ হাসান।
