পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ডাকাতির প্রস্ততিকালে ৩ ভূয়া র্যাব সদস্য গ্রেফতার
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ ভুয়া র্যাব সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পিরোজপুর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল। শনিবার রাতে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া পৌর এলাকার টিএন্ডটি রোড এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও ৫/৬ জন ভূয়া র্যাব সদস্য পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
এসময় তাদের কাছ থেকে একটি টয়োটা ব্র্যান্ডের মাইক্রোবাস, একটি খেলনা পিস্তল, দুই জোড়া হাতকড়া, দুইটি ওয়াকিটকি, র্যাব লেখা সম্বলিত চারটি জ্যাকেট, দুইটি ব্যাটেল স্টিক, চোখ বাঁধার কাপড়, দুইটি গাড়ির নম্বর প্লেট, র্যাব লেখা সম্বলিত আইডি কার্ডসহ র্যাবের ব্যবহৃত আরও কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
র্যাব পরিচয়দানকারী গ্রেফতারকৃত ভূয়া সদস্যরা হল- গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি থানার কুসুমদিয়া গ্রামের হাসান আলী খানের ছেলে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্পোরাল জালাল উদ্দিন খান ওরফে রবিউল (৪০), শেরপুর সদর উপজেলার খুনুয়া চরপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে পুলিশের চাকুরিচ্যুত সদস্য শেখ ফরিদ (৩২), এবং তাদের গাড়িচালক ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার মিয়া সুন্দরপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. শিপন আলী সোহেল (৩৫)।

রবিবার দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার খাঁন মোহাম্মদ আবু নাসের জানান, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের তোফাজ্জেল পঞ্চায়েত এর ছেলে ডাকাত সর্দার অলি পঞ্চায়েত এর নেতৃত্বে র্যাব পরিচয় দেওয়া চক্রটি শনিবার রাতে ভান্ডারিয়া পৌর এলাকার টিএন্ডটি রোডের কবিরাজ বাড়ী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াছিন আলম চৌধুরী’র নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রবিউলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া ফরিদের বিরুদ্ধে একটি এবং পলাতক আসামী ডাকাত সর্দার অলি পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার। এ ঘটনায় ভান্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
