প্রধান সূচি

৭১২টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৬০ হাজারের বেশী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে

পিরোজপুরে আম্পানের প্রভাবে থেমে থেমে দমকা বাতাস ও বৃষ্টি হচ্ছে ॥ বৃদ্ধি পেয়েছে নদ-নদীর পানি

পিরোজপুরে মঙ্গলবার রাত থেকে আম্পানের প্রভাবে থেমে থেমে দমকা বাতাস ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। পিরোজপুর জেলায় চলছে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত। জেলার নদ-নদীর পানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলার ৭১২টি আশ্রয় কেন্দ্রে ইতিমধ্যে ৬০ হাজারের বেশী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জেলা কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে। অন্যদের আশ্রয় কেন্দ্র আনার জন্য কাজ করছে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা। জেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ৪ লাখ ৫ হাজার ২৭০ জন লোকের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। ইতিমধ্যে এসব কেন্দ্রে রোজাদারদের জন্য ইফতার ও সেহরির জন্য নিরাপদ পানি ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া, সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক বিতরণ ও মোমবাতির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জেলা সদরসহ ও জেলার ৭টি উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন সুপার সাইক্লোন ‘আম্ফান’ নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করছেন। তিনি বুধবার পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং আশ্রিত লোকজনের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেন।
তিনি জানান, আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষজনকে আনার জন্য পরিবহন ব্যবস্থা, বেড়িবাঁধ রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও জানান, জেলায় ৬০টি মেডিকেল টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া, প্রশাসনের হাতে পর্যাপ্ত শুকনো খাদ্য ও নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে। একই সঙ্গে ঘূর্নিঝড় মোকাবেলার জন্য রেডক্রিসেন্ট, সিপিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন দপ্তরকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial