প্রধান সূচি

বনরক্ষীর বিরুদ্ধে নগদ অর্থ ও মধু লুটের অভিযোগ

সুন্দরবনের টহল ফাড়ির এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৌয়াল ও কতিপয় জেলেকে জিম্মি করে নগদ অর্থসহ মধু লুটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি চাঁদপাই রেঞ্জের হরিণটানা টহল ফাঁড়ির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ফরেস্টার শাহজাহানের নেতৃত্বে এমন ঘটনা ঘটেছে। শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন খুড়িয়াখালি এলাকার এক মৌয়ালসহ একাধিক জেলে এমন অভিযোগ করেন।

মৌয়াল হারুন ফরাজী বলেন, সুন্দরবন থেকে মধু আহরণ শেষে গত ১৯ মে সকালে তিনিসহ তার কতিপয় সঙ্গীয় মৌয়ালরা বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে হরিণটানা টহল ফাঁড়ির সামনে পৌঁছালে ওই ফাঁড়ির কর্মকর্তা ফরেস্টার শাহজাহানের নেতৃত্বে একদল বনরক্ষী তাদের গতিরোধ করেন। এ সময় নৌকার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশী চালায়। কিছু না পেয়ে সুন্দরবন থেকে আহরিত মধুর কয়েকটি পাত্রের মধ্য থেকে ৩০ কেজি ওজনের একটি মধুর পাত্র জোরপূর্বক তুলে নেয় বনরক্ষী রতন হালদার।

খুড়িয়াখালী গ্রামের বাসিন্দা জেলে আকিদুল হাওলাদার, আলামিন মুন্সী, সালাম ফরাজী, খলিল ফরাজী, মহাজন জালাল মোল্লাসহ অনেকে বলেন, গত ২০ মে বিকেলে ওই টহল ফাঁড়ি এলাকা থেকে জেলেরা বাড়ি ফেরার পথে একইভাবে ওই টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীরা তাদের কয়েকটি নৌকা আটক করে। পরে ২০ হাজার টাকা উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। ক্ষতিগ্রস্থ জেলেরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত বনকর্মীদের বিচার দাবী করেন।
এ ব্যাপারে শরণখোলা রেঞ্জের ষ্টেশন কর্মকর্তা মো. সামছুল হক বলেন, মধু লুট ও অর্থ হাতানোর বিষয়টি তিনি জেলেদের মুখে শুনেছেন। তবে ঘটনাটি তার রেঞ্জের আওতাভূক্ত নয়।

হরিণ টানা টহল ফাড়ির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ফরেস্টার শাহজাহানের ০১৮৪০১৬৪২৪৩ নং মুঠো ফোনে একাধিক বার কল করলেও তার ফোনটি বন্ধ থাকার কারণে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে, চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শাহিন কবির জানান, ক্ষতিগ্রস্থ মৌয়াল ও জেলেদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে বিষয়টির তদন্ত সাপেক্ষে ওই বনকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial