পাইকগাছায় কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে
প্রকাশ ঘোষ বিধান :
পাইকগাছায় কোরবানীর পশুর হাটগুলো জমে উঠেছে। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু থাকলেও কয়েকদিন আগেও হাট গুলোতে ক্রেতা সংকট দেখা যায়। তবে মঙ্গলবার থেকে ক্রেতা সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। এবছর কোরবানীর পশুর ক্ষেত্রে দেশীয় জাতের মাঝারি আকারের পশুর চাহিদা বেশি। লোকজনের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঔষধ দিয়ে মোটাতাজা করা গরুর চাহিদা কম। এ কারণে কিছুটা বিপাকে পড়েছে উন্নত জাতের মোটা তাজা করণ খামারীরা।
উল্লেখ্য, উপজেলার চাঁদখালী ও কাশিমনগর দুটি স্থায়ী এবং গদাইপুর হাট, জিরোপয়েন্ট ও বাঁকা বাজারে ৩টি অস্থায়ীসহ মোট ৫টি পশু হাট রয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানীর পশুর হাট গুলোতে পর্যাপ্ত গরু, ছাগল ও মহিষ সরবরাহ হচ্ছে, ক্রেতা সংখ্যাও বাড়ছে। ক্রেতারা পছন্দের কোরবানীর পশুটি ক্রয়ের জন্য বিক্রেতার সাথে চুক্তিবদ্ধ করে রাখছে। কোরবানীর আগের দিন পশুটি বিক্রেতার কাছ থেকে গ্রহণ করবে। হাট গুলোতে ছোট ট্রাক ভরে ফরিয়াররা গরু নিয়ে আসছে। এসব বাজারে সর্বনি¤œ ২৫ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় গরু বিক্রি হচ্ছে। বিগত বছর গুলোতে বিদেশী জাতের গরুর চাহিদা বেশি থাকলেও এ বছর দেশীয় জাতের ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি।
মালত গ্রামের আকাম মোড়ল জানান, বিদেশী গরুর চাহিদা থাকায় প্রতিবছরের মত এ বছরে সে ১টি উন্নত জাতের গরু মোটাতাজাকরণ করে। যার দাম হাকা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে গরুটির দাম ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা উঠেছে।
ঈদের আর কয়েকদিন বাকী আছে। পশুর হাট গুলোতে প্রচুর পরিমাণে কোরবানী পশু বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা সাচ্ছন্দে হাটগুলো থেকে পছন্দের পশুটি ক্রয় করছে। হাটগুলোতে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে মেডিকেল টিম বসানো হয়েছে।
হাট কমিটির উদ্যোগে বাজার মনিটরিং ও প্রচারের জন্য মাইকের ব্যবস্থা করে ক্রেতাদের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে। তাছাড়া উপজেলার প্রতিটি পশুর হাটে থানা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানিয়েছেন।
