প্রধান সূচি

শরণখোলায় শ্রমিক লীগের সংবাদ বর্জন

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা শ্রমিক লীগের সকল প্রকার সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্মরত সাংবাদিকরা। বেশ কিছুদিন ধরে উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং তাফালবাড়ী স্কুল এ্যান্ড কলেজ গভর্ণিং বডির সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন খোকন প্রেসক্লাব উচ্ছেদের ষড়যন্ত্রসহ সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে অশোভন আচরণ ও ফেসবুকে অশালীন বক্তব্য পোস্ট করেন। এরই আলোকে শুক্রবার রাতে শরণখোলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সম্প্রতি উপজেলার তাফালবাড়ী স্কুল এ্যান্ড করেজে অধ্যক্ষ নিয়োগে ১৪ লাখ টাকা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন খোকনের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত সংবাদ বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ায় তিনি সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন সময় প্রেসক্লাব উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র এবং ফেসবুকে সাংবাদিকদের সম্পর্কে মানহানীকার মন্তব্য পোস্ট করেন।

শরণখোলা প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটনের সভাপতিত্বে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা বক্তব্যে বলেন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন খোকন সম্প্রতি সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলী, বাবুল দাস ও এমাদুল হক শামীম সম্পর্কে ফেসবুকে একের পর এক আশোভন পোস্ট দিয়ে তাদের সামাজিক মান মর্যাদা ক্ষুন্ন শুরু করে চলছেন এবং প্রেসক্লাব উচ্ছেদের বিষয়ে তিনি বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।

সম্প্রতি রায়েন্দা পাইলট হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুলতান আহম্মেদকে মামলাসহ বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দেন তিনি।

সভায় বক্তারা আরো বলেন, শ্রমিক লীগের শীর্ষ ওই নেতা স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন স্থানে প্রভাব খাটান। তিনি সম্প্রতি উপজেলার খোন্তাকাটা বাজারের এক মুক্তিযোদ্ধার কন্যার বাড়ি এক লাখ টাকা নিয়ে ভাংচুর করে দখল করার চেষ্টা করেন।

থানা পুলিশের দালালীসহ সাধারণ মানুষের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া, ঢাকায় তার নারী কেলেংকারীর ঘটনা এখন এলাকায় ওপেন সিক্রেট বিষয়। তার এমন কর্মকান্ডের বিষয়ে প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দকে নজরদারি করার জোর দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।

 

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial