পিরোজপুরের কদমতলায় মাহফুজুর রহমান হত্যার আসামীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাঠের আসবারপত্র তৈরীর মিস্ত্রি মো. মাহফুজুর রহমানকে হত্যার আসামীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবী জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা ও এলাকাবাসী। পিরোজপুর প্রেসক্লাবে গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিহত মাহফুজুর রহমানের ছোট ভাই মুফতি আরিফুল ইসলাম তার ভাইয়ের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবী জানিয়ে বলেন, জায়গা জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এবং ঘটনার দিন গত ২ অক্টোবর সকাল ৯ টার দিকে বিরোধীয় জায়গার সুপারি পারাকে কেন্দ্র করে মাহফুজুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করে আপন চাচা নজরুল ইসলাম দুলাল ওরফে দুলাল দারোগা, তার ছেলে নাইমুল ইসলাম রুবেল, বাবুল হাওলাদারসহ তাদের সঙ্গীয় লোকজন। মাথায় রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেয়া হলে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার ঐ দিনই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তার অবস্থা আরও খারাপ হলে খুলনা থেকে তাকে ২ অক্টোবর রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় ৪ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে মাহফুজুর রহমান মারা যায়।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মা মিসেস খাদিজা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলে মাহফুজুর রহমান ছিলেন এলাকার একজন সমাজসেবক। তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি হারিয়েছি ছেলে, ছেলের স্ত্রী হয়েছে বিধবা, সন্তানরা হয়েছে এতিম। পুত্র হত্যার বিচার চাই।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্ত্রী তামলিমা বেগম, তার ৫ মেয়ে সন্তান ও নিহতের ভাইসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মাহফুজুর রহমানকে ২ অক্টোবর পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় তার ভাই মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে ঐ দিন বিকেলে পিরোজপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। উক্ত মামলাটি বর্তমানে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আইনগত প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি নুরুল হাসলাম বাদল জানান, কদমতলায় মাহফুজুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করা এবং পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার ঘটনায় পূর্বের দায়ের করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আহনগত প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় ইতিমধ্যে মামলার ২নং আসামী নজরুল ইসলাম ওরফে দুলালকে গ্রেফতার করেছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাঠের আসবারপত্র তৈরীর মিস্ত্রি মো. মাহফুজুর রহমানকে হত্যার আসামীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবী জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা ও এলাকাবাসী। পিরোজপুর প্রেসক্লাবে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিহত মাহফুজুর রহমানের ছোট ভাই মুফতি আরিফুল ইসলাম তার ভাইয়ের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবী জানিয়ে বলেন, জায়গা জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এবং ঘটনার দিন গত ২ অক্টোবর সকাল ৯ টার দিকে বিরোধীয় জায়গার সুপারি পারাকে কেন্দ্র করে মাহফুজুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করে আপন চাচা নজরুল ইসলাম দুলাল ওরফে দুলাল দারোগা, তার ছেলে নাইমুল ইসলাম রুবেল, বাবুল হাওলাদারসহ তাদের সঙ্গীয় লোকজন। মাথায় রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেয়া হলে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার ঐ দিনই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তার অবস্থা আরও খারাপ হলে খুলনা থেকে তাকে ২ অক্টোবর রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় ৪ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে মাহফুজুর রহমান মারা যায়।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মা মিসেস খাদিজা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলে মাহফুজুর রহমান ছিলেন এলাকার একজন সমাজসেবক। তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি হারিয়েছি ছেলে, ছেলের স্ত্রী হয়েছে বিধবা, সন্তানরা হয়েছে এতিম। পুত্র হত্যার বিচার চাই।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্ত্রী তামলিমা বেগম, তার ৫ মেয়ে সন্তান ও নিহতের ভাইসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মাহফুজুর রহমানকে ২ অক্টোবর পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় তার ভাই মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে ঐ দিন বিকেলে পিরোজপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। উক্ত মামলাটি বর্তমানে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আইনগত প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি নুরুল হাসলাম বাদল জানান, কদমতলায় মাহফুজুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করা এবং পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার ঘটনায় পূর্বের দায়ের করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আহনগত প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় ইতিমধ্যে মামলার ২নং আসামী নজরুল ইসলাম ওরফে দুলালকে গ্রেফতার করেছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে।
