৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা
পিরোজপুর সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া দরিদ্র পরিবারের এক মেধাবী শিশু শিক্ষার্থীকে (১১) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একমাত্র অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
গত ১৩ জুনের উক্ত ঘটনার পরে ভূক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা রবিবার বিকেলে পিরোজপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর সদর উপজেলার খামকাটা এলাকার কৃষক মো. অলিউল মাহাজন (৪৫) একটি পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করে। সেই সুবাদে সে প্রতিবেশী ওই ভূক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাড়িতে পাওয়ার টিলারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ রাখতো। এ কারণে ওই বাড়িতে প্রায়ই অলিউলের যাতায়াত ছিল। ঘটনার দিন গত ১৩ জুলাই সকালে পাওয়ার টিলারের যন্ত্রাংশ আনার জন্য অলিউল ওই স্কুল শিক্ষার্থীর বাড়িতে যায়। এ সময় ঘরের মধ্য থেকে যন্ত্রাংশ নেওয়ার জন্য শিশুটিকে ঘরের দরজা খুলতে বলে। তখন শিশুটির মা ঘরে না থাকায় অলিউল তাকে সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা করে। চিৎকার শুনে ঘরের মধ্যে শুয়ে থাকা শিশুটির ভাই ছুটে এলে অলিউল পালিয়ে যায়। এরপর শিশুটির মা বাড়িতে এলে সে তার কাছে এ বিষয়টি জানায়।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হলে অলিউল স্থানীয়ভাবে মিটমাটের চেষ্টা করে। এছাড়া ভূক্তভোগী শিশুটির পরিবার দরিদ্র হওয়ায় তারা এ বিষয়ে তারা মামলা করতেও সাহস পায়নি। পরবর্তীতে আত্মীয়দের পরমর্শে থানায় মামলা দায়ের করে শিশুটির মা। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত অলিউল।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামান জানান, ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
