পিরোজপুরে পুলিশ কনষ্টেবল পদে প্রাথমিকভাবে ৩১ জন নির্বাচিত
পিরোজপুরে পুলিশ কনষ্টেবলে চাকুরীর জন্য প্রাথমিকভাবে ৩১ জনের নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন নারী এবং ৮ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতী-নাতনী রয়েছে। পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান (পিপিএম সেবা) জানান, পিরোজপুর জেলার ৭টি উপজেলা থেকে ১ হাজার ২শ’ জন আবেদনকারী অনলাইনে পুলিশে কনষ্টেবল পদে চাকুরীর জন্য আবেদন করেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে বিভিন্ন যাচাই-বাছাই শেষে শারীরিক পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষার জন্য তাদের নামের তালিকা জেলা পুলিশের কাছে প্রেরণ করে।
নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের পিরোজপুরে পুরুষদের লং জাম্প, হাই জাম্প, ১৬শ’ মিটার দৌড়সহ বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মেয়েরাও বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি ১ হাজার মিটার দৌড়ে অংশ নেন। প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত হওয়াদের মধ্যে পিরোজপুর সদরে ৯ জন, কাউখালীতে ৪ জন, নেছারাবাদে ২ জন, নাজিরপুরে ৩ জন, ইন্দুরকানীতে ৩ জন, ভান্ডারিয়ায় ৪ জন এবং মঠবাড়িয়ায় ৬ জন রয়েছে।
পুলিশের এ নিয়োগে কোথাও কোন ধরণের অনিয়ম বা লেনদেন হয়নি বলে দৃঢ়তার সাথে পুলিশ সুপার উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সাধারণ কোঠা, পোষ্য কোঠা, মুক্তিযোদ্ধা কোঠাসহ বিভিন্ন কোঠাও নীতিমালা অনুযায়ী পূরণ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত তালিকায় যারা রয়েছেন তাদের ডাক্তারি পরীক্ষা এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে প্রশিক্ষণের জন্য প্রেরণ করা হবে।
রবিবার পিরোজপুরে পুলিশ লাইনে সংবাদকর্মীদের সামনে প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকাদের উপস্থিত করা হলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা জানান, পুলিশে নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের ট্রেজারী চালানের টাকার বাইরে আর কোন টাকা খরচ করতে হয়নি।
