ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ হত্যা মামলার স্থগিত আদেশ প্রত্যাহার ও নিহতের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
ছাত্রলীগ নেতা মো. খালেকুজ্জামান রিয়াজ হত্যা মামলার কার্যক্রম স্থগিত আদেশ প্রত্যাহার ও ওই মামলার বাদী মো. মাসুম বিল্লাহসহ নিহতের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
নিহত ছাত্রলীগ নেতা খালেকুজ্জামান রিয়াজ পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকরি গ্রামের আবুল বাশার হাওলাদারের ছেলে। সে বরিশাল পলিটেকনিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি ও পিরোজপুরে ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। গত ২০১৩ সালের ১৬ এপ্রিল তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মামা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন।
দায়ের হওয়া মামলা সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে বরিশাল থেকে মোটর সাইকেলে করে পিরোজুপর নিয়ে আসা হয়। পরে শহরের কালিবাড়ির পিছনে ঘটনার দিন পিরোজপুরের সন্ত্রাসী আসাদুর রহমান রিগ্যানসহ ৯ জনে তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নিহতের পিতা জানান, মামলাটি পিরোজপুরে চলাকালীন অভিযুক্তরা মামলার বাদীসহ বিভিন্ন সময় আমাদের হত্যাসহ বিভিন্নভাবে হুমকী দিয়ে আসছে। এমনকি প্রভাবশালী একটি মহলের প্রভাবে মামলা প্রভাবিত হওয়ার আশংকায় আমরা মামলাটি স্থগিত ও বরিশালে বদলির আবেদন করি। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত ওই আদেশ প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ হত্যার সাথে জড়িত আসাদুর রহমান রিগ্যানসহ অভিযুক্তরা একাধিক মামলার সাথে জড়িত।
জানা গেছে, হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রধান আসামী আসাদুর রহমান রিগ্যানের সাথে স্থানীয় এক তরুনীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। রিগ্যানের সাথে ওই তরুনীর সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর ছাত্রলীগ নেতা খালেকুজ্জামান রিয়াজের সাথে তার (তরুনী) সম্পর্ক হয়। এতে রিগ্যান ক্ষিপ্ত হয়ে তার (রিগ্যান) দলবল নিয়ে রিয়াজকে হত্যা করে।
