সুন্দরবনের জুলিয়েট ৫২টি ডিম দিয়েছে
সুন্দরবনের রোমিও-জুলিয়েট জুটির জুলিয়েট ৫২টি ডিম দিয়েছে। সুন্দরবন এলাকায় লবন পানির কুমিরের সংখ্যা কমতে থাকায় করমজল পর্যটন কেন্দ্রে বন্যপ্রাণি প্রজনণ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের করমজল এলাকায় এই বন্যপ্রাণি প্রজনণ কেন্দ্রেটি প্রতিষ্ঠিত। এবার জুলিয়েট নামের মাদি কুমিরটি ৫২টি ডিম দিয়েছে।
শুক্রবার সকালে করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনণ কেন্দ্রের কুমির প্রকল্পের পুকুর পাড়ে এ ডিম দেয় কুমির জুলিয়েট। এবার নিয়ে জুলিয়েট ডিম দিয়েছে মোট ১৫ বার। এর আগে গত বছর জুলিয়েট ডিম দিয়েছিল ৪৪টি।
করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনণ ও পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজাদ কবির জানান, শুক্রবার সকালে প্রকল্পের পুকুর পাড়ে দেয়া জুলিয়েটের ৫২টি ডিম সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্য থেকে ১৪টি ডিম বাচ্চা ফুঁটানোর জন্য জুলিয়েটের বাসায়, ২৬টি পুরাতন ইনকিউবেটরে এবং ১২টি নতুন ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে। আগামী ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে এ ডিমগুলো থেকে বাচ্চা ফুঁটে বের হবে।
তিনি আরো জানান, করমজলের কুমির প্রজনণ কেন্দ্রে বর্তমানে ছোট বড় মিলিয়ে মোট ১৯৫টি কুমির রয়েছে। এরমধ্যে জুলিয়েট ও পিলপিল নামের দুইটি নারী কুমির এবং আলেকজান্ডার নামে একটি পুরুষ কুমির দিয়ে করমজলে কুমিরের প্রজনণ কার্যক্রম চলছে।
মুলত: বিলুপ্ত প্রায় লবণ পানির প্রজাতির কুমিরের প্রজনন ও বংশ বিস্তারের লক্ষে ২০০০ সালে করমজলে এই কুমির প্রজনণ কেন্দ্রটি চালু হয়। এ প্রজনণ কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক ৯৭টি কুমির সুন্দরবনের নদ-নদীতে অবমুক্ত করেছে বনবিভাগ।
