অবৈধ জাল অপসারণে কম্বিং অপারেশন
অবৈধ জাল অপসারণে পিরোজপুরের বিভিন্ন নদীতে জেলা মৎস্য বিভাগ দ্বিতীয় দফায় শুরু করেছে ৮ দিনের কম্বিং অপারেশন। ছোট ইলিশসহ অন্যান্য মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ বেহুন্দি ও অন্যান্য ক্ষতিকারক জাল অপসারণের লক্ষ্যে এ ‘বিশেষ কম্বিং অপারেশন’ পরিচালিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে সকাল থেকে পিরোজপুরের কঁচা, সন্ধ্যা ও কালিগঙ্গা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অপারেশন পরিচালিত হয়। এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল বারী, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. নাহিদ ভূঁইয়া এবং পিরোজপুর সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা গৌতম মন্ডল উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার বিভিন্ন নদীতে প্রথম দিনের অভিযানে প্রায় ৫৪ হাজার মিটার অবৈধ জাল আটক করে কঁচা নদীর বেকুটিয়া ফেরীঘাটে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার মূল্য ৩ লক্ষ টাকা।
নদীতে ছোট ইলিশ রক্ষার উদ্দেশ্যে ২০১৬ সাল থেকে জানুয়ারি মাসে এ বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালিত হয়ে আসছে। গত বছর দেশের ১১টি জেলার মধ্যে এ অভিযান সীমাবদ্ধ থাকলেও এ বছর পিরোজপুর ও চাঁদপুর জেলাকে এই অভিযানের আওতায় নেয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের ৭টি উপজেলার মধ্যে ৫টি উপজেলা এ অভিযানের আওতায় পড়েছে। প্রথম ধাপে শুরু হওয়া এ অভিযান চলেছিল ৭ থেকে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। দ্বিতীয় ধাপে শুরু হওয়া এ অভিযান চলবে ২১ থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানায়, অভিযান চলাকালীন সময় নদী ও খালে ছোট ইলিশ এবং অন্যান্য মাছ ধ্বংসকারী সকল প্রকার বেহুন্দি জাল, কারেন্ট জাল, মশারি জাল, চট জাল ও টং জাল অপসারণ করা হবে। প্রথম ধাপের সপ্তাহব্যাপী অভিযানের সময় ৭টি মোবাইল কোর্ট করা হয়। আর ধ্বংস করা হয় ৩০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ২৩টি বেহুন্দি জাল, ৪০ লক্ষ টাকা মূল্যের ২ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল এবং ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ৫২টি অন্যান্য জাল। অভিযান চলাকালীন সময় ১ জন জেলেকে এক মাসের কারাদন্ডও দেওয়া হয়।
