প্রধান সূচি

ভেঙ্গে যাওয়ার তিন বছরেও মেরামত হয়নি

কদমতলার গুদিকাঠা খালের সেতু ॥ দুর্ভোগে গ্রামবাসী

পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের গুদিকাঠা সংলগ্ন ৭নং ও ৯নং ওয়ার্ডের সংযোগ সেতুটি ভেঙ্গে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। গত তিন বছর ধরে সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে থাকলেও সেটি মেরামত বা পুনঃনির্মানের কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে দুই গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীসহ কয়েক হাজার মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সেতুর পশ্চিম পাড়ে রয়েছে কদমতলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের পোরগোলা এবং পূর্ব পাড়ে রয়েছে ৭নং ওয়ার্ডের খানাখুনিয়ারী। সেতুটির একাংশ ভেঙ্গে খালে পড়ে আছে। বিকল্প হিসেবে নিজেদের উদ্যোগে বাঁশ ও সুপারী গাছ দিয়ে সাঁকো বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে খানাখুনিয়ারী সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী।

গুদিকাঠা খালের সেতুটি ব্যবহার প্রতিদিন দুই গ্রামের শিক্ষার্থীসহ প্রায় তিন হাজার মানুষ স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, জেলা সদর, হাসপাতাল, ইউনিয়ন পরিষদ ও হাট বাজারে যাওয়া-আসা করতো। সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে তাদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

খানাখুনিয়ারী পি. আর. সিনিয়ার ফাজিল মাদ্রাসার নবম শ্রেনির ছাত্র হাসান (১৪) জানায়, সেতুটি ভেঙ্গে পড়ায় অনেক ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোর উপর দিয়ে পার হতে হচ্ছে। মাঝে মধ্যে মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা বইসহ পড়ে যাচ্ছে খালে।

পোরগোলা গ্রামের একাধিক বাসিন্দা বলেন, সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় আমাদের বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। হাট বাজারে কৃষিপণ্য ও মালামাল আনতে আমাদের নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। খালে যখন জোয়ার আসে তখনই শুধু নৌকা চলাচল করে। ভাটার সময় খালে নৌকা ঢুকতে করতে পারেনা।

এসময় তারা আরো জানান, প্রতি মাসে এক বার দুই বার এই সেতুর সাথে সংযুক্ত বাঁশের সাঁকো মেরামত করতে হয়। এতে প্রায় তিন থেকে চার হাজার টাকা খরচ হয়।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে পিরোজপুর এলজিইডি ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ সেতুটি নির্মান করে। নির্মানের ১৪ বছরের মাথায় সেতুটি ভেঙ্গে খালে পড়ে যায়।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial