মঠবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট
মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি :
মঠবাড়িয়ায় হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় টিকিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রিপনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আদালতে চার্জশীট দাখিল করেছে থানা পুলিশ।
চার্জশীটকৃত অন্যান্য আসামীরা হলো ইউপি সদস্য জসিম মৃধা, ছাত্রলীগ নেতা এনামুর রহমান মনির, সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া, যুবলীগ কর্মী তকদির মাতুব্বর, কবির হোসেন, মারুফ হোসেন, এনায়েত হোসেন, জুয়েল ও মোস্তফা। ওই মামলায় আনীত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় স্থানীয় হাসান মিয়া, সোহাগ মিয়া ও রাজীবকে অত্র মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানাযায়, উপজেলার বাইশকুড়া বাজারে একতা সংঘ ক্লাবের আধিপত্য নিয়ে কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রুবেল আকন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রিপন জমাদ্দারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরে গত বছরের ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় ইউপি চেয়ারম্যানের নের্তৃত্বে ২০/২৫ জনের একটি দল বাইশকুড়া বাজারে এসে লোহার রড, হকস্টিক, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে উল্লেখিত ক্লাবটি ভাংচুর শুরু করে। এসময় রুবেল আকন বাঁধা দিলে তাকে মারধর করে। এসময় সংঘবদ্ধদল বাইশকুড়া একতা সংঘ ক্লাবে রক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমান এর ছবি ভাংচুরসহ অফিসটি তছনছ করে গুড়িয়ে দেয়। পরে আসামীরা রুবেলকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ ওই দিন রাতে আসামীদের কবল থেকে অপহৃত রুবেলকে উদ্ধার করে এবং ভাংচুর ছবি গুলো জব্দ করে।
এ ঘটনায় আহত ছাত্রলীগ নেতা রুবেলের পিতা পান্না আকন বাদী হয়ে ঘটনার দিন গভীর রাতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপনসহ ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উক্ত ঘটনার সময় আমি স্থানীয় আওয়ামী লীগ অফিসে বসে সালিশ করছিলাম। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য প্রতিপক্ষরা ওই মামলায় আসামী করেছে।
