ঢাকার আশকোনায় নির্মানাধীন র্যাব কার্যালয়ে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত নুরুলের বাড়ি ভান্ডারিয়ায়!
কন্ঠ রিপোর্ট :
ঢাকার আশকোনা হজ্ব ক্যাম্পের সন্নিকটে নির্মানাধীন র্যাব ক্যাম্পের মধ্যে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত যুবকের বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমূলা ইউনিয়নের চিংগুরিয়া গ্রামে।
এদিকে, ঢাকার ওই আত্মঘাতি হামলার পর ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমূলা ইউনিয়নের চিংগুরিয়া গ্রামের একই পরিবারের পিতা ও দুই পুত্রকে র্যাব সদস্যারা আজ শনিবার বিকেলে তুলে নিয়েছে বলে দাবি করেছে তাদের পরিবার ও স্থানীয়রা।
এরা হলেন, চিংগুরিয়া গ্রামের দিনমজুর নুরুল ইসলাম হাওলাদার (৬০) এবং তার দুই পুত্র অটোরিক্সা চালক শহিদুল ইসলাম (৪০) ও দিনমজুর রফিকুল ইসলাম (৩৫)।
নুরুল ইসলামের স্ত্রী নিরু বেগম জানান, পূর্বে তার স্বামী কাঠমিস্ত্রির কাজ করত। বর্তমানে সে দিনমজুরের কাজ করে। তার স্বামীর প্রথম স্ত্রীর তিন সন্তান শহিদুল, রফিকুল এবং ফারুক হোসেন। ১০/১২ বছর আগে ফারুক চট্টগ্রামে সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যায়। এরপর থেকেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে নুরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী আমিরোন।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে পার্শবর্তী কলোনি বাজার থেকে সাদা পোষাকে র্যাব পরিচয়ে প্রথমে শহিদুলকে এবং পরবর্তীতে পোষাকধারী র্যাব সদস্যরা নুরুল এবং তার অন্য ছেলে রফিকুলকে ধরে নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, নুরুলের পরিবারটি এলাকায় অত্যন্ত নিরীহ। তারা কোন ধরণের অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
উল্লেখ্য, আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত যুবককে নুরুল ইসলামের স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন আমিরোন নিজের সন্তান বলে দাবি করেণ। এরপরই ভান্ডারিয়ায় তার গ্রামের বাড়ি থেকে তার স্বামী ও দুই ছেলেকে তুলে নেয় র্যাব। আমিরোন গত ১০/১২ দিন আগে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
তবে এ ঘটনার বিষয়ে কিছুই বলতে পারেননি ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান তালুকদার।
