প্রধান সূচি

বাগেরহাটে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বৃদ্ধি পেয়েছে সেবার মান

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

“পাসপোর্ট নাগরিক অধিকার, নিঃস্বার্থ সেবাই আমাদের অঙ্গিকার” এই প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে পাসপোর্ট সেবা জনগনের গোর দোড়ায় পৌছে দিতে এবং পাসপোর্ট অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি করতে বাগেরহাটে ৭ দিনব্যাপি চলা পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শহরের ভিআইপি রোডস্থ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে জেলায় কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় বাগেরহাট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের (ডিএডি) আঃ ছত্তার উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে পাসপোর্ট অফিসের সেবার মান বৃদ্ধি ও কিভাবে ভোগান্তি ছাড়াই পাসপোর্ট সেবা সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় পৌছে দেয়া যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাগেরহাট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের (ডিএডি) আঃ ছত্তার বলেন, অফিসের সেবার মান বৃদ্ধি করতে পাসপোর্ট প্রত্যাশিদের জন্য অফিসের ভিতরেই আমরা বসার ব্যবস্থা ও বিনোদনের জন্য টেলিভিশন দিয়েছি। অফিসে এসে পাসপোর্ট প্রত্যাশিরা পাসপোর্টের ফরম পূরণ করা নিয়ে নানা বিড়াম্বনায় পড়েন। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা হেলপ ডেক্স থেকে পাসপোর্ট প্রত্যাশিদের সার্বিক সহয়তা করছি। সেবার মান বৃদ্ধি করতে অনলাইনে পাসপোর্টের ফরম পূরণ করা হচ্ছে। এছাড়া পাসপোর্ট প্রত্যাশিদের সুবিধার্থে সঠিক ভাবে পাসপোর্টর ফরম পূরণের নিয়ম সম্বলিত একটি চার্ট অফিস প্রাঙ্গনে ঝুলানো হয়েছে।

পাসপোর্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্য ও নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, অফিসের নিরাপত্তার বিষায়টি মাথায় রেখে অফিসের প্রতিটি রুম সিসি ক্যমেরার আওতায় আনা হয়েছে। অফিস প্রাঙ্গনে কোন ধরনের দালাল দেখা গেলে অফিসের নিরাপত্তা রক্ষীদের দিয়ে তাকে বের করে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া দালালদের দৌরাত্ম ঠেকাতে জেলা প্রশাসনের সহয়তায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বাগেরহাট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে আসা নীহার রঞ্জন সাহা বলেন, মেয়ের পাসপোর্টের জন্য ফরম পূরণ করে জমা দিলাম। কোন ধরনের ভোগান্তির শিকার হয়নি। তাছাড়া অফিসের ভিতর জনসাধারনের জন্য বসার ব্যবস্থা থাকায় কোন সমস্যা হচ্ছে না।

শরণখোলা থেকে আসা আসলাম মোল্লা বলেন, অনেক দূর থেকে আসছি। আমার ফরম পূরণে ভুল ছিল, চিন্তায় পড়ে গেছিলাম কিন্তু অফিসের হেপল ডেক্স থেকে সহয়তা নিয়ে ফরমটি সঠিক ভাবে পুরণ করেছি। অফিসের কর্মকর্তাদের ব্যবহার ও সার্বিক সহতায় আমি মুগ্ধ।

মোঃ ওমর ফকির ও সুমন খানসহ স্থানীয় অনেকেই জানান, পাসপোর্ট অফিসের (ডিএডি) আঃ ছত্তার আসার পর থেকে পাল্টে গেছে অফিসের দৃশ্যপট। নেই দালালচক্রের দৌরাত্ম। পাসপোর্ট প্রত্যাশিরা আসছেন, কাজ সারছেন, যথারীতি বিদায় নিচ্ছেন। পাসপোর্ট প্রত্যাশিদের কোন হয়রানী বা ভোগান্তি নেই। বেড়েছে অফিসের সেবার মানও। অফিসের সামনে বাড়তি লোকজন বা দালালদের আনাগোনা নেই।

 

 

 

 

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial