প্রধান সূচি

স্বরূপকাঠীতে ধানক্ষেত থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর বিপুল সিকদার (৫০) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে উপজেলার সারেংকাঠী ইউনিয়নের গয়েশকাঠী গ্রামে বাড়ির পাশের ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বিপুল সিকদার ওই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিনোদ সিকদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন বিপুল। পরিবারের সদস্যরা রাতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি বিপুল সিকদারের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের বড় ভাই বিধান সিকদার জানান, তার ভাই কৃষি কাজ করতেন। ঘটনার দিন দুপুরে আমার স্ত্রী মাধবী বিপুলকে কথা বলার জন্য ডাকলেও তিনি সাড়া না দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বিধান সিকদার বলেন, তাদের পরিবারের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল বলে জানা নেই। তার ভাইয়ের শরীরেও দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাননি। তবে নিখোঁজ হওয়ার আগে বিপুল তার স্ত্রী মাধবীর গলার একটি চেইন স্থানীয় বাজারের এক স্বর্ণকারের দোকানে বন্ধক রেখেছিলেন। চেইনটি স্ত্রী একবার ফেরত আনতে বলেছিল। তবে চেইন ফেরত না আনার বিষয়টি থাকলেও এ নিয়ে সংসারে কোনো বিরোধ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় চৌকিদার সুব্রত রায় বলেন, বিপুল সাধারণ কৃষক ছিলেন। রবিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেন নি। সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। মরদেহের পাশে একটি পুরোনো বিষের বোতল দেখতে পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। তবে কেউ কেউ বলছেন ওটা ইরি ধানে প্রয়োগের ঔষধ।
পাটিকেলবাড়ীর পুলিশ ফাড়ির এস.আই মো. মনসুর আহম্মেদ জানান, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial