প্রথম টোল দিয়ে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব সেতু পার হলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
পিরোজপুরের কঁচা নদীর উপর নির্মিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ৮ম বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতু প্রথম টোল দিয়ে গাড়িতে পার হলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি। রবিবার রাত ১২টা ০১ মিনিটে নিজ হাতে টোল দিয়ে প্রথম গাড়ি নিয়ে পার হন তিনি।
এর আগে রবিবার সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ৮ম বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধন ঘোষণার পরপরই উৎসুক জনতা পায়ে হেটে, বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নেচে গেয়ে উন্মুক্ত করে দেওয়া সেতুতে উঠে আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করে।
পিরোজপুর জেলার কঁচা নদীর উপর নির্মিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ৮ম বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতু উদ্বোধনের পর দিবাগত রাত ১২টা ০১ মিনিটে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এ সময় সেতুর পশ্চিম পাড়ে পিরোজপুরের কুমিরমারা প্রান্তে অবস্থিত টোল ঘরে নিজ হাতে গাড়ির টোল দিয়ে প্রথম গাড়ি নিয়ে পার হন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম এমপি। তিনি গাড়ি থেকে নেমে টোলঘরের সামনে হেটে গিয়ে তার গাড়ির এবং সাথে থাকে গাড়ি বহরের অন্যান্য গাড়ির টোল পরিশোধ করেন। তিনি সেতুর বেকুটিয়া প্রান্ত ঘুরে এসে সেতুতে কিছুক্ষন অবস্থান করেন।
এ সময় তার গাড়ি বহরে ছিলেন- পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, সদ্য পদোন্নতি পাওয়া পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেরা আওয়ামী লীগ নেতা ইসাহাক আলী খান পান্না, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান ফুলু, জেলা বাস-মিনিবাস-মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন খান, কেন্দ্রীয় যুবলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. কামরুজ্জামান খান শামীম, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এস এম বায়েজিদসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে একই সময়ে কাউখালীর বেকুটিয়া প্রান্ত থেকে সেতু পার হন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। এ সময় তার সাথে ছিলেন কাউখালীর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মিয়া মনু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদা খাতুন রেখাসহ জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ।
সেতুতে অবস্থানকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে উদ্বোধনের পরই মানুষের হেঁটে চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। পরে রাত ১২টা ১ মিনিটে টোল দেওয়ার মাধ্যমে সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। আমাদের সঙ্গে থাকা সব গাড়ির টোল পরিশোধ করেছি। কারণ আমাদের মনে রাখতে হবে, উন্নয়নকে ধরে রাখতে গেলে সরকারকে টোল ও কর প্রদান করতে হবে। তাহলে আমরা ভবিষ্যতে এ ধরণের আরও উন্নয়ন পাবো। এটি পিরোজপুরবাসীর জন্য অন্যতম একটি আনন্দঘন দিন।
