পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০ উদ্যোগ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা
পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে জেলা পর্যায়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার পিরোজপুর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগ- একটি বাড়ি একটি খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, আশ্রয়ণ প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন, ঘরে-ঘরে বিদ্যুৎ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিনিয়োগ বিকাশ এবং পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে এর বাস্তবায়ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং প্রচারে করনীয় সংক্রান্ত সুপারিশ উপস্থাপনা করা হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা দলগত কার্যক্রমও পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন সুপারিশ উপস্থাপনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ ১০টি উদ্যোগের বিষয়ে মুখ্য আলোচকের বক্তব্য রাখেন সভার প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় ইতোমধ্যেই উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের পথে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বস্তরের জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নই শুধু নয়, এর মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমান এবং সর্বোপরি এসডিজি এর লক্ষ্য অর্জনেও বিষ্ময়কর অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলেছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ এসডিজি’র ১৭টি লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। আমাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালে সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি উদ্যোগ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।
আলোচকগণ বলেন, যারা গ্রামে বাস করে এবং অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তাদের সম্পৃক্ত করে উন্নয়নকে তাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সরকার গ্রহণ করেছে এসব কর্মসূচির প্রচারনা কার্যক্রম। এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রচারণামূলক কার্যক্রমকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে শহর ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সকল অংশীজনের সক্রিয় ও সত:ষ্ফুর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের জেলা পর্যায়ের অফিসারগণ, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সুশিল সমাজ, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ, এনজিও, রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
