প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা মাহামারীর মধ্যেও মানুষকে খাইয়ে পড়িয়ে বাঁচিয়ে রাখার সর্বত্মক প্রচেষ্টা করে চলছেন : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার হাত থেকে জাতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায় চেষ্টা করছেন। এই চেষ্টা ফলশ্রুতেই বাংলাদেশ এখনও অপেক্ষাকৃত অন্যান্য দেশেরে তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে আছে। করোনার যে অবস্থা আছে এর চেয়ে ভয়াবহ অবস্থা হলেও হতে পারতো। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সতর্কতা রয়েছে। চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারিত করা হয়েছে। এর কারণে সংক্রমণ আমরা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি।
বৃহস্পতিবার পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে করোনাকালীন লকডাউনে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেষ্টা করছেন বাংলাদেশের মানুষকে সুখে শান্তিতে সমৃদ্ধিতে রাখা, তাদের জীবনকে বাঁচিয়ে রাখা। প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাস চিকিৎসার জন্য নানামুখী ব্যবস্থা নিচ্ছেন, মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা দিচ্ছেন। অন্যদিকে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার জন্য, উন্নয়নের কাজকে এগিয়ে নেওয়ার জন্যও কাজ করে চলছেন।
তিনি বলেন, এই করোনার মধ্যেও পদ্মা ব্রীজের কাজ চলছে, পায়রা বন্দরের কাজ চলছে, কর্ণফুলী টানেলের কাজ চলছে, ছয় লেনের রাস্তা নির্মাণের মত বড় কাজ চলছে। বিভিন্ন রকম উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ যেমন চলছে এর পাশাপাশি মানুষকে খাইয়ে পড়িয়ে বাঁচিয়ে রাখার যে প্রচেষ্টা সেটাকেও তিনি অব্যাহত করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করেছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পরে তিনি যে অভাবনীয় পরিবর্তন এনেছেন। তিনি যে জাতীয় সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করেছেন। এই নিশ্চিত করার মধ্য থেকে তিনি জাতিকে দেখিয়েছেন যে নাগরিকের অধিকার শুধু সংবিধানে না বাস্তবে সেটা প্রতিফলন ঘটানো যায়। যতদিন তিনি বেঁচে আছেন ততদিন একটি লোকও অনাহারে থাকবেনা, বিনা চিকিৎসায় মারা যাবেনা।
পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাহী অফিসার বশির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরি রওশন ইসলাম।
এদিন পিরোজপুর পৌরসভা ও সদর উপজেলার পরিবহন শ্রমিক, অটো রিক্সা চালক, নরসুন্দর, হোটেল শ্রমিক, ধোপা, হরিজন সম্প্রদায়, স্বর্ণ ও স্টুডিও কর্মচারীসহ ৯টি শ্রেণি পেশার ৬৭৫ জনকে নগদ ৫শ’ টাকা করে প্রদান করা হয়।
