পিরোজপুরে পাসপোর্ট করেত গিয়ে রোহিঙ্গা আটক
পিরোজপুর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল পিরোজপুরের ভান্ডরিয়া থেকে মো. জামাল (২১) নামে এক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে।
পিরোজপুর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক হাচনাইন পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামাল রবিবার পিরোজপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের আবেদন করার পর ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে যায়। এ সময় জানাযায় জামাল মায়ানমারের নাগরিক। এরপর সে ফিঙ্গার প্রিন্ট না দিয়ে ভা-ারিয়ায় চলে যায়। পাসপোর্টের আবেদনে জামাল তার বাবার নাম মোঃ মিজান সিকদার, মায়ের নাম শাহিনুর বেগম সাং ভা-ারিয়া পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ড লিখেছে। জিঙ্গাসাবাদে জামাল জানায়, সে মায়ানমারের নাগরিক, তার পিতা আমির হোসাইন, মায়ের নাম বেলুয়া বেগম সাং রাম্যখালী থানা ডেমিনা জেলা রাখাইন (আরাকান)। এঘটনায় গতকাল সোমবার পিরোজপুর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে জামালকে প্রধান আসামি করে এবং সহযোগী আরো অজ্ঞাতনামা ৬/৭ জনকে আসামি করে ৪০৪/৪০৬/৪১৯ ও ৪২০ ধারায় প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিদর্শক হাচনাইন পারভেজ আরো জানান, জামাল তার আরো দুই ভাই আবু তৈয়ব ও আবু হায়াত এবং তিন বোন রুখাইয়া, জামালিডা, সোমাকে নিয়ে ২০১৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসে। এরপর তারা কক্সবাজারের বালুখালী ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়।
এদিকে ঘটনাটি ভান্ডারিয়ায় জানাজানি হলে মায়ানমার থেকে আগন্তুক ভা-ারিয়া পৌর শহরে কাদের ইন্ধনে আশ্রয় পেয়েছে। ইয়াবা বরির জন্য যে মায়ানমার খ্যাত সেই দেশের বাসিন্দা কি করে ভা-ারিয়ায় আশ্রয় পায় এ নিয়েও চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। নাকি ভা-ারিয়া নিয়া নয়া ষড়যন্ত্র কিনা সেটাও এখন ভাবিয়ে তুলেছে বলে অনেকেই এ বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। কারন পাসপোর্ট করতে হলে ফরমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা সরকারি কোন কর্মকর্তা দ্বারা প্রত্যয়ন এবং যেহেতেু পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডের নাম উল্ল্যেখ করা হয়েছে সেহেতু পৌরশহরের পরিচয়পত্রই বা কিভাবে পেল মায়ানমারের এই আগন্তুক।
