প্রধান সূচি

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়ার অভিযোগ : গ্রেফতার-২

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মানসিক ভারসাম্য এক নারীকে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তথ্য জানান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের।
গ্রেফতারকৃত মো. জাহিদ (৪০) ভান্ডারিয়া উপজেল দক্ষিণ শিয়ালকাঠি এলাকার ১নং ওয়ার্ডের মোজাহার হাওলাদারের ছেলে এবং মো. জিয়াউল ইসলাম জিহাদ (৩২) দক্ষিণ শিয়ালকাঠী এলাকার মৃত আশরাফ আলী ছেলে।
জানা গেছে মো. জাহিদ পেশায় একজন রিক্সাচালক এবং মো. জিয়াউল ইসলাম জিহাদ বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকার ভান্ডারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের জানান, সোমবার রাত ৩টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলা শহরের হাসপাতাল মোড়ে জনৈক ফারুকের দোকানের সামনে একটি বেঞ্চের উপরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে রিকশাচালক মো. জাহিদ জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণের ভিডিও জিয়াউল ইসলাম জিহাদ নমে একজন সাংবাদিক ধারণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে সাংবাদিক জিয়াউল ইসলাম জিহাদ ধর্ষক জাহিদের কাছে টাকা দাবি করে। তবে দাবীকৃত টাকা না পেয়ে জিহাদ নিজের ফেসবুক আইডিতে ধর্ষনের ভিডিওটি আপলোড করে। বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে ধর্ষক জাহিদ ও ভিডিও আপলোডকারী সাংবাদিক জাহিদকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় দুইজনকে আসামী করে নারী শিশু নির্যাতন দমন ও পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আসামিদের অতি দ্রুত আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ সুপার বলেন, সাংবাদিক জিহাদ ধর্ষণের সময় কোনরকম বাঁধা প্রদান না করে কিম্বা পুলিশকে খবর না দিয়ে একটি ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর কারণে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার ও বিটিআরসি এর সাথে কথা বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিডিওটি অপসারণ করা হয়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial