প্রধান সূচি

কাঁঠালিয়ায় মাঠে মাঠে পার্চিং

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ১৮টি ব্লকের আমন ধান ক্ষেতের মাঠে মাঠে দেখা যাচ্ছে পার্চিং। নিরাপদ ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে এ পার্চিং বসানো হয়েছে।
বিভিন্ন বøকে স্ব স্ব ইউনিয়নের উপসহকারি কৃষি অফিসারগণ (বøক সুপাইভাইজার) স্থানীয় কৃষকদের সাথে নিয়ে ফসলের ক্ষেতে যেয়ে গাছের ডাল ও বাঁশের তৈরী পার্চিং বসিয়ে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করেন। এ সময় পাচিং এর উপকারিতা নিয়েও কৃষকদের পরামর্শ দেন কর্মকর্তারা।
উপজেলার আমুয়া বাঁশবুনিয়া গ্রামের কৃষক সাজ্জাদ হোসেন জসিম জানান, জমিতে পাচিং করার ফলে বালাই নাশকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশন দূষণমুক্ত হয়। যা আগে জানতাম না। এখন শিখেছি। এই ক্ষতিকর পোকামাকড়ের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। উপকারী পোকার বংশ বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি জমিতে জৈব সার হিসেবে পাখির বিষ্ঠা যোগ হয়। এতে জমির উর্বরতা বাড়ে। এই পদ্ধতি খুবই উপকারে আসে কৃষকের।
উপসহকারি কৃষি অফিসার মো. হাসিবুর রহমান পাচিং অর্থাৎ ডাল পোতার মাধ্যমে প্রকৃতিভাবে ধানের ক্ষতিকর পোকা নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য জমিতে গাছের শুকনো ডাল খুটি বা বাঁশের কঞ্চি পুতে রাখতে হয়। এতে ফিঙেসহ বিভিন্ন পাখি এসে বসে। সে সাথে অনিষ্টকারী পোকা খেয়ে ফসলকে সুরক্ষা করে। পরিবেশ বান্ধব এ প্রযুক্তি ব্যবহারে বালাই নাশকের ব্যবহার ইযস পায়। পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন খরচও সাশ্রয় হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ ইমরান বিন ইসলাম জানান, নিরাপদ ফসল উৎপাদনে পার্চিং এর কোন বিকল্প নেই। এ কাজের সুফল সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে তিনি উপ-সহকারি কৃষি অফিসারদের মাধ্যমে কৃষকদের উৎসাহিত করছেন।
তিনি আরো জানান, উপজেলার প্রতি বøকেই পাচিং স্থাপন করা হয়েছে। একই সাথে কৃষক-কৃষানীরাও সেখানে উপস্থিত থাকছেন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial