প্রধান সূচি

কাঁঠালিয়ায় হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী ঢাকায় গ্রেফতার

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ২০০৮ সালের হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী ইদ্রিস সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে র‌্যাব-৩ একটি দল ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার দুপুরে কাঁঠালিয়া থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করে র‌্যাব।
গ্রেফতারকৃত ইদ্রিস সিকদার (৪৩) উপজেলার চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের মহিষকান্দি গ্রামের মৃত্যু ইয়াছিন সিকদারের ছোট ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি আবু নাছের রায়হান।
থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার মহিষকান্দি গ্রামের ফারুক জমাদ্দারের সাথে জমি নিয়ে বিবাধ হয় একই এলাকার ইয়াছিন সিকদারের ছেলে কুদ্দুস সিকদার ও ইদ্রিস সিকদারের। প্রতিপক্ষ ফারুক জমাদ্দারকে ফাঁসানোর জন্য ২০০৮ সালের ২৭ জুন গভীর রাতে কুদ্দুস সিকদারের আপন বড় ভাই বাকপ্রতিবন্ধি মানিক সিকদারকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে জখম করে ইদ্রিস ও কুদ্দুস। এসময় ইদ্রিসের স্ত্রী ৭ মাসের অন্ত:স্বত্তা শেফালী বেগম টের পেয়ে ভাসুরকে বাঁচাতে এলে তাকে জবাই করে হত্যা করে। রাতে মানিক সিকদারও মারা যায়।
মূল ঘটনা আড়াল করে প্রতিপক্ষ ফারুক জমাদ্দারকে ফাঁসানোর জন্য কুদ্দুস সিকদার বাদী হয়ে ফারুক জমাদ্দার ও তার ভাই কবির জমাদ্দারসহ ৬জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ মামলা তদন্ত করে জানতে পারেন হত্যাকারী মামলার বাদী কুদ্দুস সিকদার ও তার ভাই কবির।
পরে থানার এসআই মো. আ. রব বাদী হয়ে কুদ্দুস সিকদার ও ইদ্রিস সিকদারকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন এবং ফারুক জমাদ্দার ও ইদ্রিস জমাদ্দারসহ মামলার আসামীদের অব্যাহতি দেন। আসামী কুদ্দুস সিকদার ও ইদ্রিস থানায় ও আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে। দেড় যুগ পর এ বছরের মে মাসের শেষের দিকে মামলায় আসামীদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে আদালত। মামলার প্রধান আসামী কুদ্দুস সিকদার জেল হাজতে আছেন। ইদ্রিস সিকদার এতদিন পলাতক ছিল।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial