মসজিদ কমিটির সভাপতি হলেন চিত্র নায়ক জায়েদ খান
নিজ জন্মস্থান পিরোজপুর জেলা শহরের মাছিমপুর আল হেরা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি হয়েছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে তার হাতে উপহারস্বরূপ তুলে দেওয়া হয় জায়নামাজ ও টুপি। আর এই মসজিদে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই যুক্ত ছিলেন তার জাহেদ খানের প্রয়াত এম এ হক। তার মৃত্যুর পর ছেলে জায়েদ খানের ওপর এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।
এদিকে, একজন সিনেমার মানুষকে মসজিদ কমিটির সভাপতি করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
মসজিদ কমিটির সভাপতি করার বিষয়ে চিত্রনায়ক ও বাংলাদেশ চলচিত্র শিল্পি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহেদ খান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি এবার বাড়ি গিয়ে সারপ্রাইজড হয়েছি। আল হেরা জামে মসজিদ থেকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে গিয়ে জানতে পারি আমাকে মসজিদ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। আমাকে বলা হয়- তোমার বাবার জন্য মসজিদে মিলাদ হবে, একটু এসো।’ এই আমন্ত্রণ পেয়েই আমি সমজিদে যাই। পরে আমাকে জায়নামাজ ও টুপি উপহার দিয়ে বলা হলো- এই মসজিদের দায়িত্ব তোমার। সাথে সাথে আমি মাকে ফোনে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন- তোমার বাবা শুরু থেকেই এই মসজিদের পাশে ছিলেন, তুমিও দায়িত্ব নাও। পরে মায়ের নির্দেশে ও এলাকার মুরব্বিদের ভালোবাসায় আমি আর এই মহতি দায়িত্বকে না করতে পারি নি।

জানা গেছে, আল হেরা জামে মসজিদে চিত্রনায়কের বাবা এম এ হক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই যুক্ত ছিলেন। মসজিদের উন্নয়নে অনেক কাজও করেছেন। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত সভাপতি ছিলেন সেখানে। এবার বাবার পথ ধরে ছেলে জায়েদ খানকে মসজিদ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব তুলে দেওয়া হলো।
জায়েদ খান বলেন, আমি অভিনয় করি। অনেকের ধারণা যারা অভিনয় করে, যারা সিনেমার মানুষ- তারা খারাপ। কিন্তু তা সঠিক নয়। আমাকে এই পদে নেওয়া হয়েছে এখন অনেকের ভুল ভাঙবে। আর আল্লাহ আমাকে কবুল করেছেন বলেই এমন একটি মর্যাদাকর স্থান পেয়েছি। কেননা আমার কোনো বাজে অভ্যাস নেই, আমি মদ-সিগারেট খাই না।
তিনি বলেন, বাবার অসম্পূর্ণ কাজগুলো তিনি করতে চান। প্রাথমিকভাবে এই মসজিদে একটি এসি কিনে দেবেন। এছাড়া সমজিদের উন্নয়নে আরও কাজ করবেন।
