নাজিরপুরে উন্নয়ন বরাদ্দের ২৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা ফেরত
পিরোজপুরের নাজিরপুরে উন্নয়ন বরাদ্দের ২৩ লাখ ২৫ টাকা ফেরত গেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ২২ লাখ টাকার কাজ বাস্তবায়ন করেছে উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর ও ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর।
জানা গেছে, উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য উপজেলার উন্নয়নের (এডিবি) বরাদ্দ থেকে ২২ লাখ টাকা ফেরত গেছে। ওই টাকার সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হলেও বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার উপজেলা চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন।
তবে উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার অমূল্য রঞ্জন হালদার তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, উপজেলা প্রকৌশলী যথা সময়ে ফাইল না পাঠিয়ে ৩০ জুন ফাইল পাঠিয়েছেন। ফাইল পেয়েই তিনি ওই ফাইলে স্বাক্ষর করলেও অনলাইনে বিল ছাড় করা সম্ভব হয়নি।
ওই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা ঠিকাদার ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু বলেন, ‘আমি ৩ লাখ টাকায় উপজেলা পরিষদের ডরমেটরির একটি ভবন সংস্কারের কাজ শেষ করেছি। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিসের গাফেলতির কারণে আমিসহ অন্যরা টাকা উত্তোলন করতে পারিনি’।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন মিয়া জানান, ‘আমার অফিস থেকে ওই প্রকল্পের বিলের জন্য ফাইল নির্ধারিত সময় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কি কারণে ঠিকাদাররা বিল পান নি তা আমি জানি না’।
উপজেলার ৯নং কলারদোয়ানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাসানাত ডালিম অভিযোগ করে জানান, তার ইউনিয়নে গত অর্থ বছরে টিআরের প্রকল্পের টাকার কাজ সম্পন্ন করা হয়। পরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ওই কাজের বিল পাশ করে দিলেও উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিস ও ব্যাংকের গাফেলতির কারণে ১ লাখ ২৫ হাজার উত্তোলন করতে পারিনি। ওই টাকা ফেরত গেছে।
এ ব্যাপারে কথা বলতে উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিসে গেলে হিসাব রক্ষন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায় নি। তিনি ছুটিতে আছেন বলে ওই অফিসের এক কর্মচারী জানান।
