স্বরূপকাঠীতে হাসপাতালে কমছে রোগী ॥ মোবাইলে নিচ্ছেন চিকিৎসা
জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলায় করোনাভাইরাস আতঙ্কের কারণে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলার হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ ও অভ্যন্তরীন বিভাগে রোগীর সংখ্যা কমে গেছে।
আতঙ্কে হাসপাতালে না এসে অনেকেই মোবাইলে ফোন দিয়ে নিচ্ছেন সাধারণ চিকিৎসা। সর্দি, কাশি, জ্বরসহ সাধারণ রোগ নিয়ে হাসপাতালে আসছেনা কোন রোগী। করোনাভাইরাসের আতঙ্কের কারণে রোগীর সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গড়ে প্রতি মাসে উপজেলার এ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে দেড় থেকে দুই হাজার রোগী চিকিৎসা নিতেন। ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার পর্যন্ত রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। এছাড়া ইনডোরে ৫শ’ থেকে ৬শ’ রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতেন।
হাসপাতালের আবাসিক ডাক্তার আসাদুজ্জামান জানান, হাসপাতালে এখন রোগী আসেনা বললেই চলে। আগে প্রতিদিন এখানে আউটডোরে আনুমানিক ৩শ’ রোগী আসতো। আর ইনডোরে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী ভর্তি নিয়ে চিকিৎসা নিতেন। অথচ আজকে হাসপাতালে তিনজন মারামারির রোগী নিয়ে মোট পাঁচজন ভর্তি আছেন।
হাসপাতালের জরুরী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এখান থেকে মোট ২৮ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। যার মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৭জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। অথচ বিগত দিনে এসময়ে সাধারণ সর্দি, জ্বর, কাশিসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে রোগীদের থাকতো উপচেপড়া ভীড়।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফিরোজ কিবরিয়া বলেন, আগের তুলনায় হাসপাতালের ইনডোর, আউটডোর ও জরুরি বিভাগে তিন ভাগের আড়াই রোগী কমেছে। সরকারি প্রচারণা ও করোনার প্রতি আতঙ্কের কারণে মানুষ নিজ থেকেই হাসপাতালে আসা কমিয়েছেন। তবে মোবাইলে জরুরী বিভাগের নাম্বারে অনেক রোগী ফোন দিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া, যারা আসছেন তাদেরকে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।
