প্রধান সূচি

পাইকগাছায় উৎপাদিত কাঁকড়া ও কুঁচে রপ্তানি বন্ধ ॥ বিপাকে কয়েক হাজার মানুষ

চীনে করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ থেকে কুঁচে ও কাঁকড়া রপ্তানি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে পাইকগাছার কয়েক হাজার চাষী ও ব্যবসায়ী। এর ফলে পাইকগাছায় উৎপাদিত কাঁকড়া ও কুঁচে রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্তÍ হচ্ছে। কয়েক হাজার পরিবার কষ্টে জীবনযাপন করছে বলে জানিয়েছেন কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা।

করোনাভাইরাস আক্রমনের ফলে গত ২৫ জানুয়ালী থেকে চীনে রপ্তানী হচ্ছে না কাঁকড়া ও কুঁচে। ফলে কাঁকড়া ও কুঁচে আহরোন থেকে রপ্তানির সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েক মানুষ বিপাকে পড়েছেন। পাইকগাছার কুঁচে ও কাঁকড়া ব্যবসায়িরা ঢাকার রপ্তানিকারকদের কাছে কয়েক কোটি টাকা আটকে গেছে। একদিকে ব্যবসা বন্ধ, অপরদিকে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পাওনা টাকা দিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন কাঁকড়া ও কুঁচে ডিপো মালিকরা। তাছাড়াও মজুদকৃত কাঁকড়া-কুঁচে বিক্রয় করতে না পারায় চরম হতাশায় ভুগছেন চাষিরা।

জানা গেছে, কুঁচে ও কাঁকড়া রপ্তানি হয় চীন, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে। এরমধ্যে ৯০ শতাংশ কুঁচে ও কাঁকড়া রপ্তানি হয় চীনে। যার সিংহভাগ উৎপাদন হয় সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলায়। গত ২৫ জানুয়ারি থেকে রপ্তানি বন্ধ থাকায় সংগ্রহ করা কুঁচে ও কাঁকড়া মরে যাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এদিকে, ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পাওনা দিতে না পারছে না আড়ৎদাররা। কাঁকড়া ও কুঁচে রপ্তানি না হওয়ায় সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

পাইকগাছা কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির লিমিটেডের সভাপতি দেবব্রত দাশ দেবু বলেন, চীনে কাঁকড়া ও কুঁচে রপ্তানি না হলে পুঁজি হারিয়ে বেকার হবে এ ব্যবসার সাথে জড়িত হাজার হাজার মানুষ। চীন ছাড়া অন্য দেশে কাঁকড়া ও কুঁচে রপ্তানি করার বাজার সৃষ্টি করার জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ব্যবসায়ী ও চাষীরা।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial