বঙ্গোপসাগরে ২ ট্রলার ডুবিতে পিরোজপুরের ৭ জেলে নিখোঁজ
বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ২৯ জেলেসহ দুটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবির খবর পাওয়া গেছে। ডুবে যাওয়া ট্রলারের ৭ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজ জেলেরা সকলেই পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা।
জেলার পাড়েরহাট বন্দরের ডুবে যাওয়া ট্রলার এফবি আল-ছাত্তারের মালিক পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরের ইকবাল মিয়া জানান, তার ট্রলারটি গত ১০ সেপ্টেম্বর সাগরে যায়। বুধবার বিকেল থেকে আবহাওয়া খারাপ হতে থাকে। ট্রলারটি গভীর সাগর থেকে ফেরার সময় বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেয়ারওয়ে বয়ার কাছাকাছি এলে ঢেউয়ের আঘাতে তলা ফেটে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা ১৯ জন জেলের মধ্যে ১২ জনকে এফবি অনিমা নামের একটি ট্রলারের জেলেরা উদ্ধার করলেও পিরোজপুরের সদর উপজেলার বাদুরা গ্রামের হারুন পশারির ছেলে ফায়েক (২৮), একই এলাকার আলী পশারীর ছেলে হানিফা ও হাবিব মল্লিকের ছেলে বাদশা মল্লিক, জুজখোলা গ্রামের সঞ্জয়, জেলার নাজিরপুর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের দলিল উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মনির হাওলাদার (২৩), শেখমাটিয়া গ্রামের আনোয়ার শেখ ও ওই ট্রলারের মাঝি একই এলাকার ফয়জুল্লাহ নামে ৭ জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরগুনা জেলার পাথরঘাটা নেয়া হয়েছে।
ইকবাল মিয়া আরো জানান, বুধবার সন্ধ্যায় তাদের এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী নিমাই চন্দ্র দাসের এফবি পূর্ণিমা নামের ট্রলারটি সুন্দরবনের কচিখালীর কাছাকাছি সাগরে ডুবে যায়। ওই ট্রলারের ১০ জেলেকে অন্য একটি ট্রলারের জেলেরা উদ্ধার করেছে।
তিনি জানান, সাগরের অবস্থা খুবই ভয়াবহ। লঘুচাপের প্রভাব কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় ট্রলারগুলো দুই দিন আগে সাগরে ফিরে যায়। জাল ফেলার আগেই আবার সাগর অশান্ত হয়ে উঠলে কূলে ফেরার সময় ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে। গত দুই দিনে বিভিন্ন এলাকার আরও ৫/৬টি ট্রলার ডুবির খবর শুনেছেন বলে জানান তিনি।
