প্রধান সূচি

ঝূঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলছে যানবাহন

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ৩টি বেইলি ব্রিজ ঝূঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ইন্দুরকানী-কলারণ সড়কের ফকিরহাট বেইলি ব্রিজ ও চরবলেশ্বর মিলবাড়ি বেইলি ব্রিজ দুটি প্রায় ৩ বছর ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া চন্ডিপুর মালবাড়ি বেইলি ব্রিজটি ঝূঁকিপূর্ণ থাকায় ভারী যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সতর্কতামূলক সাইন বোর্ড ঝূঁলিয়ে দিয়েছে পিরোজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল রুটে দুরপাল্লার পরিবহন ছাড়াও অভ্যন্তরীণ রুটে শত শত ছোট বড় যানবাহন চলাচল করছে। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে ফকিরহাট ও চরবশ্বের সেতু দুটির অধিকাংশ স্লীপার মরিচা ধরে ভেঙ্গে গেলেও এ দুরাবস্থার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই কোন মাথা ব্যাথা।

রাতের অন্ধকারে সেতু পার হতে গিয়ে পথচারীদের প্রায়ই ভেঙ্গে যাওয়া স্লীপারের মধ্যে পা ঢুকে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। এছাড়া ভ্যান, রিকশা, মটর সাইকেলসহ বিভিন্ন ছোট খাটো যানবাহনের চাকা ভাঙ্গা স্লীপারের মধ্যে ঢুকে পড়ার ঘটনা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফকিরহাট বেইলি সেতুটির ৩টি স্লীপার মরিচা (জং) ধরে ভেঙ্গে গেছে। এ সেতুটির আরও ৩টি স্লীপার মরিচা ধরে ঝূঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

এছাড়া চরবলেশ্বর মিলবাড়ি সেতুটির ৪টি স্লীপার ভেঙ্গে গেছে এবং আরো ১০টি স্লীপার মরিচা ধরে ঝূঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভারি যানবাহনের ভারে যেকোন সময় এ ব্রিজ দুটির মরিচা ধরা স্লীপার গুলি ভেঙ্গে খালে পড়ে মারত্মক দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। আর চন্ডিপুর মিলবাড়ি সেতুটি ঝূঁকিপূর্ণ থাকায় ভারি যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে সড়ক বিভাগ থেকে।

এ ব্যাপারে বালিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন জানান, সেতু দুটির বেশ কিছু স্লীপার মরিচা ধরায় এবং ভেঙ্গে যাওয়ায় জীবনের ঝূঁকি নিয়ে প্রতিদিন যানবাহন চলাচল করছে। তাই এ ব্রিজ দুটির ভেঙ্গে যাওয়া স্লীপারগুলোর দ্রুত মেরামত প্রয়োজন।

পিরোজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ফকরুল ইসলাম বলেন, ঐ সড়কটি আমার দায়িত্বের আওতার মধ্যে নয়। তথাপিও ঐ বেইলি ব্রিজগুলোর বর্তমান দুরাবস্থার ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial