পিরোজপুর-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী আলমগীর হোসেন
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর-নাজিরপুর-স্বরূপকাঠী) আসনে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি তিনি এলাকায় গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
জেলার তেজদাসকাঠী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সহকারী অধ্যাপক আলমগী হোসেন ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে জেলা ও কেন্দ্রের রাজনীতির সাথে সার্বক্ষনিক সম্পৃক্ত রয়েছেন।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের বরিশাল বিভাগীয় আহবায়ক আলমগীর হোসেক শিক্ষকদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষক আন্দোলনের সাথেও সম্পৃক্ত। তিনি ১৯৮০ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এসময় তিনি পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
পিরোজপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, যুগ্ম আহবায়ক, আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে দীর্ঘদিন ধরে তিনি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিভিন্ন সময় মামলা হামলার শিকার হয়েছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে আলমগীর হোসেন বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরাপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা না পেলে এদেশে কোন নির্বাচন হতে পারে না। তবে দেশে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হলে আমি দলের কাছে জোড়ালো ভাবেই মনোনায়ন চাইব। আমি দীর্ঘ ৩৯ বছরের আমার ত্যাগ, পরিশ্রম, সাংগঠনিক কর্মকান্ড, মেধা, অর্থ বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছি। আমার পিতা মরহুম আলহাজ্ব আব্দুস সোবাহান তেজদাসকাঠী কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও দান-অনুদানের মধ্য দিয়ে পিরোজপুরের সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। আমিও এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক সংগঠনে সম্পৃক্ত রয়েছি। এ কারণে সাধারণ জনগনের মধ্যে আমার একটি আত্মীক সম্পর্ক রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি দল আমাকে মনোনায়ন দিলে ধানেরশীষ মার্কা নিয়ে এ আসনটি প্রথমবারের মতো দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে উপহার দিতে পারবো।
জোটের মনোনায়ন প্রসংঙ্গে তিনি বলেন, জেলা সদরের এই আসনটিতে অবশ্যই বিএনপির তৃনমূল থেকে উঠে আসা নেতৃত্বকে মনোনায়ন দেওয়া উচিত। জেলা সদরে নিজ দলীয় প্রতিনিধি না থাকলে দল ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং দলের সাংগঠনিক শক্তি ও কাঠামো ধীরে ধীরে দূর্বল হয়ে যায় যার প্রভাব পুরো জেলায় ছড়িয়ে পরে। তাই দেশনেত্রীর কাছে আবেদন থাকবে জেলা সদরে বিএনপির নেতৃত্বকে মনোনায়ন দেয়া হোক। তবে তিনি যাকেই মনোনায়ন দিবেন আমরা তাকে নিয়েই কাজ করবো।
