ইন্দুরকানী ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম
ইন্দুরকানীতে ভিজিএফের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদকে সামনে রেখে সরকার দুঃস্থদের জনপ্রতি ২০ কেজি করে বিশেষ ভিজিএফের চাল বরাদ্ধ দেন। কিন্তু এ উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল মল্লিক দুঃস্থদের ২০ কেজির স্থলে ১২ থেকে ১৫ কেজি চাল দেয়ার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ইন্দুরকানীর চাড়াখালীর খাদ্য গুদামের সামনে ওই ইউপি সদস্য বালতি মেপে চাল দিলে জনপ্রতি ৫ কেজি থেকে ৮ কেজি পর্যন্ত চাল কম হয়। এ বিষয়ে অভিযোগ উঠলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন হাওলাদার খাদ্য গুদামে উপস্থিত হয়ে নিজে বসে থেকে পুনঃরায় চাল বিতরণ করেন।
সোমবার ভিজিএফের চাল বিতরণকালে কালাইয়া গ্রামের ইউপি সদস্য মো. জামাল হোসেনও বালতি মেপে চাল দেয়ায় পরিমাপে আড়াই কেজি থেকে ৩ কেজি কম দিয়েছে। কালাইয়া গ্রামের মনসুর আলী, লোকমান হোসেন, ফিরোজা বেগম এর চাল পরিমাপ করে দেখা যায় ২০ কেজির স্থলে ১৭ কেজি ৫শ’ গ্রাম হয়েছে।
ইন্দুরকানী ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জামাল হোসেন জানান, আমি জনপ্রতি ১৮ কেজি করে দিয়েছি।
এ ব্যাপারে পত্তাশী ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল মল্লিক ভিজিএফের চাল পরিমাপে কম দেয়ার অভিযোগ পেয়েছি। পরে আমি নিজে বসে থেকে সঠিকভাবে চাল বিতরণ করেছি।
