পিরোজপুর থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় || দুর্ভোগ চরমে
বরিউল হাসান রবিন :
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থল রাজধানী ঢাকায় ফিরতে মানুষের ভিড় বেড়েছে পিরোজপুরের স্টীমার ও লঞ্চ ঘাটে। গতকাল শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত স্টীমার ও লঞ্চে যাত্রীদের বাড়তি চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। অতিরিক্ত ভাড়া ও অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করায় পিরোজপুর সদর, কাউখালী, ভান্ডারিয়া উপজেলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের এবারও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সেই সাথে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। লঞ্চ-স্টিমারে তিল ধারনের ঠাঁই নেই। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। কাউখালী লঞ্চঘাট ও স্টিমার ঘাটে শুক্রবার ঢাকামুখী কত যাত্রী কর্মস্থলে ফিরে গেছেন তার সঠিক হিসাব রাখা কারও পক্ষে সম্ভব হয়নি। তবে কাউখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ৫টি লঞ্চও ১টি স্টিমার। ঈদের পর কয়েক দিন দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথে যাত্রীদের তেমন ভিড় না থাকলেও গত দুই দিন ধরে ভিড় বাড়তে থাকে। শুক্রবার তা আরও বেড়েছে।
শুক্রবার বিআইডব্লিউটিসির স্টিমার পিএস মাসুদে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। পিরোজপুরের হুলারহাট-কাউখালী-ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চগুলোতে ঈদের আগে ও পরের ১৫ দিন বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
শুক্রবার সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ফারহান-৯, অগ্রদূত প্লাস, মনিং সান, অভিযার-৭ লঞ্চে তিল ধারণের জায়গা নেই। এসব ঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী ও কয়েকগুণ বেশি ভাড়া নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে কাউখালী ঘাট ত্যাগ করে লঞ্চগুলো। এরপরও রয়েছে ছোট-বড় ১০ থেকে ১২টি লঞ্চ ঘাট।
সরকারি (বিআইডব্লিউটিসি) স্টিমার পিএস মাসুদ মোড়লগঞ্জ, মাছুয়া, হুলারহাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে কাউখালীতে ঘাট দিলেও স্টিমারে ছিল যাত্রীদের প্রচন্ড ভীড়।
কাউখালী রাজাপুর, স্বরূপকাঠী, ঝালকাঠী একাংশের হাজারো মানুষ কাউখালী লঞ্চ স্টেশন থেকে যাতায়াত করে থাকে। এ কারণে ভিড় একটু বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
