প্রধান সূচি

বরিশালের কীর্তনখোলায় ট্যাংকার-কার্গো সংঘর্ষ

বরিশাল অফিস :

বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর চরকাউয়া পয়েন্টে তেলবাহী ট্যাংকার ও ফ্লাইএ্যাশবাহী কার্গোর  মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে তেল ছড়িয়ে পড়েছে নদীতে। শুক্রবার সকাল ৮ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে কি পরিমাণ ডিজেল নদীতে ছড়িয়ে পড়েছে তেল ওঠানোর আগ পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন দুর্ঘটনার শিকার ট্যাংকার এমটি ফজরের মাস্টার জামসেদুর রহমান।

মেঘনা গ্রুপের ফ্লাইএ্যাশবাহী কার্গো জাহাজ এমভি মা বাবার দোয়া-২ এর সুকানী মোঃ এরশাদ জানান, তারা ভারত থেকে মংলা বন্দর হয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে শ্রোতের কারণে তেলবাহী ট্যাংকারের সাথে তাদের জাহাজের সংঘর্ষ হয়। এ সময় নদী বন্দরে অবস্থান করা পারাবত-১২ লঞ্চের পেছনেও ধাঁক্কা লাগে।

দুর্ঘটনার শিকার ট্যাংকার এমটি ফজরের মাস্টার জামসেদুর রহমান জানান, তারা ঢাকা থেকে ডিজেল ও পেট্রোল নিয়ে বরিশাল যমুনা ডিপোতে আসছিলেন। তাদের ট্যাংকারে ৩ লাখ লিটার পেট্রোল ও সাড়ে ৯ লাখ লিটার ডিজেল ছিল। কার্গো জাহাজ তাদের ট্যাংকারে সজোরে আঘাত হানলে ডিজেলের চেম্বারে আঘাত লেগে তা কীর্তনখোলা নদীতে ছড়িয়ে পড়ে। তারা দ্রুত ডিজেল অন্য চেম্বারে সরিয়ে নিয়েছেন। তবে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে তেল ওঠানোর আগে কিছু বলতে পারছেন না তিনি।

কীর্তনখোলা নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় কয়েশ বাসিন্দা তেল উত্তোলন করেছেন নদী থেকে।

বান্দ রোডের বাসিন্দা হালিম ফকির জানিয়েছেন, স্থানীয় জনতা প্রায় দুই শতাধিক ব্যারেল ডিজেল এ যাবৎ পর্যন্ত নদী থেকে উত্তোলন করেছেন।

এনিয়ে বিআইডব্লিউটি এর উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভিকের দায়িত্বে থাকা উপ পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে আসেন। দুর্ঘটনার শিকার দুটো জাহাজই তারা নিরাপদ স্থানে নোঙ্গর করে রেখেছেন। এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে জানানো যাবে বলে জানান তিনি।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial